ad
ad

Breaking News

Live-In Debate

Live-In Debate: ‘৫০ টুকরো হতে দেখবেন!’ মেয়েদের লিভ-ইন থেকে দূরে থাকার হুঁশিয়ারি উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপালের

লিভ-ইন সম্পর্ক আজকাল একটি ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে। তা থেকে দূরে থাকুন।

Live-In Debate: UP Governor Anandiben Patel’s Comments

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: বর্তমানে সমাজের অন্যতম আলোচিত বিষয় ‘লিভ-ইন সম্পর্ক’ নিয়ে ফের বিতর্কিত মন্তব্য করলেন উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন পটেল। সম্প্রতি, বারাণসীতে মহাত্মা গান্ধী কাশী বিদ্যাপীঠের ৪৭তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে গিয়ে তিনি সরাসরি ছাত্রীদের উদ্দেশে এই সম্পর্ক থেকে দূরে থাকার বার্তা দেন। তাঁর মন্তব্য শোরগোল ফেলেছে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে (Live-In Debate)।

আরও পড়ুনঃ Ayodhya Explosion: ফের যোগীরাজ্যে শোকের ছায়া! বিস্ফোরনে অযোধ্যায় ধসে পড়লো বাড়ি, নিহত একাধিক

রাজ্যপাল আনন্দীবেন পটেল, যিনি পদাধিকারবলে উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য, তিনি ছাত্রীদের সতর্ক করে বলেন, “আমি মেয়েদের উদ্দেশ্যে কেবল একটি কথা বলতে চাই। লিভ-ইন সম্পর্ক আজকাল একটি ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে। তা থেকে দূরে থাকুন। আপনারা নিশ্চয়ই মহিলাদের ৫০ টুকরো করে হতে দেখছেন।” তাঁর এই মন্তব্যে লিভ-ইন সম্পর্কের ভয়াবহ পরিণামের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। গত কয়েকদিন ধরে এই ধরনের খবর শুনে তিনি মানসিকভাবে কষ্ট পাচ্ছেন বলেও জানান রাজ্যপাল। তিনি বলেন, “বারবার ভাবছি, আমাদের মেয়েরা কেন এমন করে? এটা আমাকে খুব কষ্ট দেয়।” এই প্রসঙ্গে তিনি এক বিচারকের সঙ্গে তাঁর আলোচনার কথা তুলে ধরেন এবং জানান, এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে সচেতনতামূলক প্রচার শুরু করা উচিত, যাতে তরুণীরা নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে পারে (Live-In Debate)।

Bangla Jago fb page: https://www.facebook.com/share/17CxRSHVAJ/

উল্লেখ্য, এই প্রথম নয়। এর আগেও লিভ-ইন সম্পর্ক নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল। দিন কয়েক আগে বালিয়ায় জননায়ক চন্দ্রশেখর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিলেন, “লিভ-ইন-এর ফলে ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সি মেয়েদের এক বছরের বাচ্চাদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখবেন।” পাশাপাশি, রাজ্যপাল আনন্দীবেন পটেল যুবসমাজের মধ্যে মাদকের ব্যবহার বৃদ্ধি নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, রাজ্যের প্রতিটি তরুণ যদি মাদক থেকে দূরে থাকেন, তবে তিনি সবচেয়ে খুশি হবেন। যদিও, লিভ-ইন সম্পর্ককে অপরাধের সঙ্গে সরাসরি জুড়ে তাঁর এই ধরনের মন্তব্য সমাজে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে (Live-In Debate)।