ad
ad

Breaking News

Delhi Blast

লালকেল্লা বিস্ফোরণ: হরিয়ানা থেকে গ্রেফতার আরও এক অভিযুক্ত

সয়াবকে গ্রেফতারের পর এনআইএ দল ধৃত মুজাম্মিল শাকিল গনাইকে সঙ্গে নিয়ে তার বাড়িতে তল্লাশি চালায়।

lalkella-metro-blast-arrests

চিত্রঃ নিজস্ব গ্রাফিক্স

Bangla Jago Desk: লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণের ঘটনায় তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। বুধবার ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) হরিয়ানার ফরিদাবাদের ধাউজ এলাকার বাসিন্দা সয়াবকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, বিস্ফোরণের মূল অভিযুক্ত ড. উমর-উন-নবিকে লুকিয়ে থাকতে সাহায্য করেছিলেন তিনি এবং লজিস্টিক সহায়তা দিয়েছিলেন।এই ঘটনায় সয়াব-সহ মোট সাত জনকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। তদন্তকারীদের দাবি, সয়াব বিস্ফোরণের ঠিক আগে উমরকে আশ্রয় দিয়েছিল এবং পালাতে সহায়তা করেছে। এনআইএ তাকে জেরা করে আরও তথ্য পেতে চায়।

সয়াবকে গ্রেফতারের পর এনআইএ দল ধৃত মুজাম্মিল শাকিল গনাইকে সঙ্গে নিয়ে তার বাড়িতে তল্লাশি চালায়। সেখান থেকে উদ্ধার হয় একটি গ্রাইন্ডার,একটি বহনযোগ্য চুল্লি। তদন্তকারীদের অনুমান, এই সরঞ্জাম আইইডি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছিল। লালকেল্লা বিস্ফোরণকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে মোট সাতজন। তাদের মধ্যে রয়েছে  আমির রশিদ আলি ।  আত্মঘাতী হামলায় ব্যবহৃত গাড়ি কেনায় সাহায্য ও ষড়যন্ত্রে যুক্ত।জসির বিলাল ওরফে দানিশ।  ড্রোন ও রকেট প্রযুক্তিতে সহায়তা।ড. মুজাম্মিল শাকিল গনাই। তার বিস্ফোরক মজুত ও হামলার পরিকল্পনার মূল চক্রী।ড. আদিল আহমেদ রাঠের। সে লজিস্টিক সহায়তা প্রদানকারী। ড. শাহিন সাইদ ‘হোয়াইট-কলার’ টেরর মডিউলের অন্যতম সংগঠক।মুফতি ইরফান আহমেদ ওয়াগায় নির্দেশনা ও কৌশলগত সহায়তা প্রদানকারী।সয়াব  উমরকে আশ্রয় ও পালাতে সাহায্যকারী।তদন্তকারী সংস্থা মনে করছে, এরা সবাই সংঘটিত সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের অংশ।

১০ নভেম্বর দুপুরে একটি হুন্ডাই গাড়ি লালকেল্লার কাছে একটি পার্কিংয়ে ঢোকে। প্রায় তিন ঘণ্টা সেখানে থাকার পর সন্ধ্যায় বেরিয়ে আসার সময় মেট্রো গেট নম্বর ১-এর কাছে বিস্ফোরণ হয়। গাড়িটি চালাচ্ছিল অভিযুক্ত উমর। বিস্ফোরণে ভয়াবহ আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের কয়েকটি গাড়িতে। প্রথমিক হিসেব অনুযায়ী, কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু এবং ২০ জনের বেশি আহত হন।ঘটনার পর থেকেই এটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলা হিসেবে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। কেন্দ্রীয় সরকার মৃতদের প্রতি শোকপ্রকাশ করে জানিয়েছে দোষী, সহযোগী বা পৃষ্ঠপোষক কেউই রেহাই পাবে না।তদন্ত করতে হবে সর্বোচ্চ দক্ষতা ও দ্রুততার সঙ্গে।