ad
ad

Breaking News

Jhansi medical college

Jhansi medical college: হাসপাতালের মর্গে পোকা খুবলে খেল মৃত মহিলার চোখ ও কান! ঝাঁসির সরকারি হাসপাতালে তুমুল চাঞ্চল্য

জানা গিয়েছে, গুরুসরাই এলাকার সারভো গ্রামের বাসিন্দা ক্রান্তি দেবী গত ২৮ নভেম্বর স্বামী-স্ত্রীর বিবাদের পর নিজের বাবার বাড়িতে থাকাকালীন বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

Jhansi medical college morgue negligence

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসির একটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ঘটল এক ভয়াবহ ও শিউরে ওঠার মতো ঘটনা। অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতালের মর্গের ভিতরে রাখা এক ২৬ বছর বয়সী মৃত মহিলার দেহের চোখ ও কান খুবলে খেয়েছে পোকা। এই অমানবিক ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি তিন কর্মীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, গুরুসরাই এলাকার সারভো গ্রামের বাসিন্দা ক্রান্তি দেবী গত ২৮ নভেম্বর স্বামী-স্ত্রীর বিবাদের পর নিজের বাবার বাড়িতে থাকাকালীন বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। ঝাঁসি মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় (Jhansi medical college)।

আরও পড়ুনঃ Valukhop: একসঙ্গে কাঞ্চনজঙ্ঘা ও খরস্রোতা তিস্তা নদী! কালিম্পং টাউনের কাছেই লুকিয়ে থাকা নির্জন গ্রাম

রবিবার, মৃতার ভাই সক্ষ্মম প্যাটেল মর্মান্তিক অভিযোগটি করেন। তিনি জানান, শনিবারই তিনি দিদির মৃতদেহ মর্গে রাখার জন্য টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু সোমবার যখন তিনি মৃতদেহ নিতে যান, তখন তিনি দেখেন যে তাঁর দিদির চোখ এবং কান পোকা খুবলে খেয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালের চিফ মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট (সিএমএস) ডাক্তার শচীন মাহুর ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং পরিবারকে দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দেন। তিনি স্বীকার করেন, মৃতদেহ পরীক্ষায় মহিলার চোখ এবং কানের আশেপাশে পোকার কামড়ের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে (Jhansi medical college)।

Bangla Jago fb page: https://www.facebook.com/share/17CxRSHVAJ/

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই গুরুতর গাফিলতির জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সিএমএস ডাক্তার শচীন মাহুর জানিয়েছেন- মর্গের একজন কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অন্য একজন কর্মীকে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।তৃতীয় একজনকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘটনা হাসপাতালের মর্গ রক্ষণাবেক্ষণের চরম গাফিলতিকেই স্পষ্ট করে দিল (Jhansi medical college)।