চিত্র- সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: সুপ্রিম কোর্টে আবারও ঝুলে রইল বহুল চর্চিত আইপ্যাক মামলার শুনানি। বুধবার বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি সঞ্জীব মেহতার ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলাটি উঠলেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। আগামী ১৮ মার্চ অর্থাৎ দোল উৎসবের পরবর্তী সময়ে এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে দেশের শীর্ষ আদালত।
এদিনের শুনানির শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় এজেন্সি বনাম রাজ্য সরকারের সংঘাত স্পষ্ট হয়ে ওঠে। রাজ্যের পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয় যে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে কেন্দ্র। পালটা সওয়াল করেন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এসজি রাজু। তিনি দাবি করেন, তদন্তের কাজে গিয়ে কেন্দ্রীয় এজেন্সির আধিকারিকদের উলটে ভয় দেখানো হচ্ছে। দু-পক্ষের এই বাগ্বিতণ্ডার মাঝেই ইডি এবং সলিসিটর জেনারেলের পক্ষ থেকে একটি রিজয়েন্ডার বা প্রত্যুত্তর দাখিল করার জন্য কিছুটা সময় চেয়ে নেওয়া হয়। আদালত সেই আর্জি মঞ্জুর করে মার্চ মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত শুনানি স্থগিত রাখে।
আইপ্যাক-কাণ্ডে নথি চুরির যে মামলাটি ইডি দায়ের করেছিল, তা নিয়ে এদিনের হলফনামায় চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, তদন্ত চলাকালীন জোর করে ভিতরে ঢুকে নথি ছিনিয়ে নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডির দাবি, এর ফলে তদন্তকারী সংস্থার মৌলিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে। যদিও রাজ্যের পক্ষ থেকে জমা দেওয়া হলফনামায় এই সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করা হয়েছে। রাজ্যের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী তদন্তের কাজে কোনো বাধা দেননি এবং ইডির তল্লাশি পদ্ধতিও সঠিক ছিল না। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই মামলাটি খারিজ করার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বলা হয়েছে যে, এই ধরনের মামলা দায়ের করার কোনো আইনগত অধিকারই ইডির নেই। দুই পক্ষের হলফনামা এবং পাল্টা যুক্তিতে আইপ্যাক মামলাটি এখন এক জটিল আইনি মোড় নিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, আগামী ১৮ মার্চ শীর্ষ আদালত এই বিষয়ে কী নির্দেশ দেয়।
আইপ্যাক-কাণ্ডে নথি চুরির যে মামলাটি ইডি দায়ের করেছিল, তা নিয়ে এদিনের হলফনামায় চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, তদন্ত চলাকালীন জোর করে ভিতরে ঢুকে নথি ছিনিয়ে নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডির দাবি, এর ফলে তদন্তকারী সংস্থার মৌলিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে। যদিও রাজ্যের পক্ষ থেকে জমা দেওয়া হলফনামায় এই সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করা হয়েছে। রাজ্যের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী তদন্তের কাজে কোনো বাধা দেননি এবং ইডির তল্লাশি পদ্ধতিও সঠিক ছিল না। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই মামলাটি খারিজ করার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বলা হয়েছে যে, এই ধরনের মামলা দায়ের করার কোনো আইনগত অধিকারই ইডির নেই। দুই পক্ষের হলফনামা এবং পাল্টা যুক্তিতে আইপ্যাক মামলাটি এখন এক জটিল আইনি মোড় নিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, আগামী ১৮ মার্চ শীর্ষ আদালত এই বিষয়ে কী নির্দেশ দেয়।