ad
ad

Breaking News

IndiGo DGCA

IndiGo DGCA: ইন্ডিগোর বিপর্যয় নিয়ে বিস্ফোরক তদন্ত রিপোর্ট! বড় শাস্তির মুখে দেশের বৃহত্তম বিমান সংস্থা?

প্রথমে ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে রিপোর্ট জমার কথা থাকলেও, কমিটির আবেদনের ভিত্তিতে আরও সাত দিন সময় বাড়ানো হয়।

IndiGo DGCA Investigation Report – Final Probe Submitted

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: ইন্ডিগোর সাম্প্রতিক বিমান পরিষেবা বিপর্যয় সংক্রান্ত তদন্তে বড় মোড় এল। ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল অ্যাভিয়েশন (DGCA) দ্বারা গঠিত চার সদস্যের তদন্ত কমিটি শুক্রবার তাদের চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে। যদিও এই রিপোর্টের বিষয়বস্তু এখনই প্রকাশ করা হয়নি, তবে মনে করা হচ্ছে এর ভিত্তিতেই দেশের বৃহত্তম বিমান সংস্থাটির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে চলেছে সরকার। সঞ্জয় কে ব্রামহানে-র নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটিকে বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ খোঁজা এবং পাইলটদের ডিউটি ও বিশ্রাম সংক্রান্ত নতুন নিয়ম (FDTL) পালনে ইন্ডিগোর প্রস্তুতির গলদ খতিয়ে দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। প্রথমে ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে রিপোর্ট জমার কথা থাকলেও, কমিটির আবেদনের ভিত্তিতে আরও সাত দিন সময় বাড়ানো হয়। DGCA-র শীর্ষ কর্তারা জানিয়েছেন, কয়েক দিনের মধ্যেই এই রিপোর্টের বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে আনা হতে পারে।

কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী কে রামমোহন নাইডু আগেভাগেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, দোষী সাব্যস্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কী ধরনের শাস্তির মুখে পড়তে পারে ইন্ডিগো? সংস্থার ওপর মোটা অঙ্কের জরিমানা আরোপ হতে পারে। ইন্ডিগোর সিইও পিটার এলবার্স এবং সিওও ইসিদ্রে পোরকেরাসকে ইতিমধ্যেই শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে ডিজিসিএ-র চারজন ফ্লাইট অপারেশন ইন্সপেক্টরকে ইতিমধ্যেই বরখাস্ত করা হয়েছে। ভারতের ঘরোয়া বিমান বাজারের প্রায় ৬৫ শতাংশ ইন্ডিগোর দখলে। অভিযোগ উঠেছে, নতুন ‘ফ্লাইট ডিউটি টাইম লিমিটেশন’ বা FDTL নিয়মের দ্বিতীয় ধাপ কার্যকর করার জন্য পর্যাপ্ত পাইলট ইন্ডিগোর হাতে ছিল না।

FDTL নিয়ম কী?

পাইলটদের ক্লান্তিজনিত ঝুঁকি কমাতে এই নিয়মে তাঁদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং রাতের উড়ান সীমিত করার কথা বলা হয়েছে। এই নিয়মটি দুটি ধাপে (১ জুলাই ও ১ নভেম্বর) কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও, দ্বিতীয় ধাপে এসেই ইন্ডিগোর পরিষেবা মুখ থুবড়ে পড়ে। যার জেরে ৩ ডিসেম্বর থেকে বহু বিমান বাতিল করতে হয় সংস্থাটিকে। ডিজিসিএ-র দাবি, নতুন নিয়ম কার্যকর করার জন্য সব সংস্থাকেই যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়েছিল। অন্য বিমান সংস্থাগুলোর পরিষেবা স্বাভাবিক থাকলেও ইন্ডিগোর কেন এই দশা হল, এখন সেই উত্তরই খুঁজছে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা।