ad
ad

Breaking News

narendra modi

নিয়মের নামে যাত্রী হেনস্তা নয়! ইন্ডিগো ইস্যুতে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী

তার প্রেক্ষিতে নায়ডু জানান, আরও বিমান সংস্থাকে বাজারে জায়গা করে দিতে সরকার উৎসাহী।

indigo-crisis-warning-pm-modi-on-rules

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: নিয়মকানুন মানুষের জীবন সহজ করার জন্য, হেনস্তার জন্য নয়—ইন্ডিগো-সংকটের আবহে এনডিএ সাংসদদের বৈঠকে এই কঠোর বার্তাই দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইন্ডিগোর ব্যাপক উড়ান বাতিলের জেরে যাত্রীদের দুর্ভোগ এখনও পুরোপুরি কাটেনি। এমন পরিস্থিতিতে বিমান সংস্থার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সোমবার রাজ্যসভায় স্পষ্ট জানিয়ে দেন কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী রামমোহন নায়ডু।

এনডিএ সাংসদদের বৈঠক শেষে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুও জানান, প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার করে দিয়েছেন—মানুষের কোনওরকম ভোগান্তি চলবে না। কিরেন বলেন, “নিয়মবিধি গোটা ব্যবস্থাকে উন্নত করতে তৈরি হয়, মানুষের ওপর বোঝা চাপানোর জন্য নয়। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কোনও আইনই মানুষের সমস্যার কারণ হওয়া উচিত নয়। আইন মানুষের সুবিধার জন্য।”

ইন্ডিগোর ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছে—ভারতীয় বিমান পরিবহণ ব্যবস্থায় এক সংস্থার এত বড় একচেটিয়া কর্তৃত্ব থাকা কতটা যুক্তিযুক্ত। তার প্রেক্ষিতে নায়ডু জানান, আরও বিমান সংস্থাকে বাজারে জায়গা করে দিতে সরকার উৎসাহী। তাঁর দাবি, ভারতে অন্তত পাঁচটি বড় বিমান সংস্থার কাজ করার মতো পরিকাঠামো রয়েছে।

সাম্প্রতিক অচলাবস্থার জন্য ইন্ডিগোর ‘অভ্যন্তরীণ সঙ্কটকেই’ দায়ী করেছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “পাইলট, বিমানকর্মী—সবাইয়ের কাজের সময় ঠিক করার ক্ষেত্রে ইন্ডিগোর আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত ছিল। যাত্রীরা ভয়ংকর দুর্ভোগ সহ্য করেছেন, সরকার এই বিষয়টিকে কোনওভাবেই হালকা ভাবে নিচ্ছে না।”

ডিজিসিএ-র শো-কজ নোটিসের জবাবে ইন্ডিগো দাবি করেছে, একাধিক কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়েছিল—যান্ত্রিক গোলযোগ, শীতকালের সময়সূচির পরিবর্তন, খারাপ আবহাওয়া, এয়ার ট্রাফিক জ্যাম, এবং কর্মীদের শিফটিং সমস্যার মতো বিষয় যুক্ত ছিল বলে জানানো হয়েছে। তবে সঙ্কটের প্রকৃত কারণ নির্ধারণে আরও সময় প্রয়োজন বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।