চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: ভারতীয় রুপির ওপর নতুন চাপ! আজ মার্কিন ডলারের বিপরীতে রুপির বিনিময় হার নেমে পৌঁছেছে সর্বকালের নতুন রেকর্ড ৯০.১৬-এ, যা মঙ্গলবারের বন্ধের হার ৮৯.৯৬ থেকে আরও দুর্বল। মঙ্গলবারও রুপি রেকর্ড নিম্নস্তরে নেমেছিল। স্থায়ী এফপিআই প্রবাহহ্রাস এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–ভারত বাণিজ্য চুক্তির অনিশ্চয়তা শক্তিশালী দেশীয় ম্যাক্রো অর্থনৈতিক ভিত্তিকেও ছাপিয়ে গেছে (Indian Rupee)।
আরও পড়ুন: পরিবারের সাহিত্য চর্চার ভাবধারা বজায় রেখেছেন ত্রিলোচন, লেখক ছেলের কাজে খুশি বাবা
এই বছর ডলারের বিপরীতে রুপি প্রায় ৫% দুর্বল হয়েছে, যা এশিয়ার সবচেয়ে খারাপ পারফর্ম করা মুদ্রাগুলির একটি। রেকর্ড-বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি, মার্কিন–ভারত বাণিজ্য চুক্তিতে দেরি এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ধারাবাহিক বিনিয়োগ প্রত্যাহার রুপির ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করছে। আমদানি, বিশেষত সোনা ও রূপোর বৃদ্ধি এবং রপ্তানির পতনের ফলে মার্চেন্ডাইজ ট্রেড গ্যাপ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১.৬৮ বিলিয়ন ডলারে, যা ডলারের চাহিদা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
You will not find double Sree or Juhi or Baba commenting about Rupee even if it’s in ventilator!!
Modi ke khilaf mooh nahi kolenge ye log!
Rupee at historical low to USD.. pic.twitter.com/PEcmK2XuK8— Vijay Thottathil (@vijaythottathil) December 2, 2025
দুর্বল পোর্টফোলিও ফ্লো, নীরব বাণিজ্য কার্যকলাপ এবং মার্কিন শুল্কজনিত চাপ পরিস্থিতি জটিল করেছে। এ বছর এখন পর্যন্ত বিদেশি বিনিয়োগকারীরা প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলার ইকুইটি বাজার থেকে তুলে নিয়েছেন, যা মুদ্রার ওপর আরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে (Indian Rupee)।
রুপি কি আরও পড়বে?
স্বল্পমেয়াদে রুপির ওপর চাপ অব্যাহত থাকতে পারে। দুর্বল পোর্টফোলিও প্রবাহ, বাড়তি বাণিজ্য ঘাটতি এবং মার্কিন–ভারত চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা ডলারের চাহিদা উচ্চ রাখবে। যদিও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI) রুপির পতন ধীর করতে সক্রিয়ভাবে হস্তক্ষেপ করছে, তবুও অব্যাহত বহিঃপ্রবাহ এবং বৈশ্বিক বাজারে শক্তিশালী ডলারের কারণে রুপি আরও দুর্বল হতে পারে। তবে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের হস্তক্ষেপ কৌশল ও বৈদেশিক প্রবাহের উন্নতি রুপির ভবিষ্যৎ দুর্বলতার মাত্রা নির্ধারণ করবে।
বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন?
বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, অসামঞ্জস্যপূর্ণ ডলার প্রবাহ রুপির দুর্বলতাকে বাড়িয়ে তুলছে। মেকলাই ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস-এর ডেপুটি সিইও রিতেশ ভানসালি ব্লুমবার্গ নিউজকে বলেন, “রুপি ক্রমাগত দুর্বল হওয়ায় রপ্তানিকারকরা আগ্রাসীভাবে ডলার বিক্রি করছেন না, অথচ আমদানিকারকদের ডলারের চাহিদা খুবই বেশি।”
বার্কলেস জানিয়েছে, শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র–ভারত বাণিজ্য চুক্তির নিষ্পত্তিই রুপিকে স্বল্পমেয়াদে উল্লেখযোগ্য স্বস্তি দিতে পারে। মানসিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ৯০-র স্তর ভেঙে যাওয়ায় রুপি আরও নেমে ৯০.৩০-এর দিকে যেতে পারে বলে এইচডিএফসি সিকিউরিটিজের পূর্বাভাস (Indian Rupee)।