চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে ফেরা হয়ে গিয়েছে আগেই। এবার ঘরে ফিরছেন ঘরের ছেলে। আমেরিকা থেকে দেশে ফিরছেন মহাকাশচারী ও অ্যাক্সিওম-৪ স্পেস মিশনের গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা। সূত্রের খবর, রবিবার আমেরিকা থেকে ভারতে এসেই সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও দেখা করবেন তিনি। গত ২৫ জুন ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে অ্যাক্সিওম-৪ স্পেস মিশনের অংশ হিসেবে মহাকাশযাত্রা করেছিলেন শুভাংশু। তাঁর সঙ্গী ছিলেন আমেরিকা, পোল্যান্ড ও হাঙ্গেরির তিন মহাকাশচারী। প্রায় তিন সপ্তাহের সফল মিশন শেষে ১৫ জুলাই পৃথিবীতে ফেরেন তাঁরা। এরপর পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য এত দিন রিহ্যাবিলেশনে ছিলেন। দেশে ফেরার আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি আবেগঘন পোস্ট করেছেন শুভাংশু।
আরও পড়ুনঃ Bangladeshi Prisoner: মুম্বইয়ে পুলিশের চোখে ধুলো! হাসপাতাল থেকে পালাল অন্তঃসত্ত্বা বাংলাদেশি মহিলা
বিমানে বসেই একটি সেলফি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, দেশে ফেরার আনন্দের পাশাপাশি আমেরিকায় মিশনের সহযাত্রীদের ছেড়ে আসার কষ্টও হচ্ছে তাঁর। শুভাংশু লিখেছেন, ‘ভারতে ফিরে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করার জন্য আমি আর অপেক্ষা করতে পারছি না। আবার যারা গত এক বছর ধরে আমার পরিবার হয়ে উঠেছিলেন, তাঁদের ছেড়ে আসতে কষ্ট হচ্ছে। গুডবাই বড় কঠিন, কিন্তু জীবন চলতে থাকে।’ শুধু তাই নয় তিনি শাহরুখ খানের একটি গানের পংক্তিও উল্লেখ করেছেন, ‘ইউ হি চালা চাল রাহি, জীবন গাড়ি হ্যায় সময় পাহিয়া।’ দেশে ফিরে সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ছাড়াও ২৩ অগস্ট ‘ন্যাশনাল স্পেস ডে’ উদযাপনে অংশ নেবেন শুভাংশু শুক্লা। এ ছাড়া মহাকাশযাত্রার সময়ে ভারতসংক্রান্ত যে গবেষণা তিনি করেছেন, তার তথ্যও তিনি ভারতীয় বিজ্ঞানীদের হাতে তুলে দেবেন।
Bangla Jago fb page: https://www.facebook.com/Banglajagotvofficial
এই নিয়ে স্বাধীনতা দিবসের দিন লালকেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, শুভাংশু শুক্লা যখন মহাকাশে ছিলেন, তখন তাঁকে একটি বিশেষ ‘হোমওয়ার্ক’ দেওয়া হয়েছিল। সেটি হলো, মহাকাশ স্টেশনে তাঁর প্রশিক্ষণ এবং থাকার পুরো অভিজ্ঞতাটি নথিভুক্ত করা। এই নথিটি ভারতের নিজস্ব মানব মহাকাশযান কর্মসূচি ‘গগনযান’-এর জন্য একটি নির্দেশিকা বা হ্যান্ডবুক হিসেবে কাজ করবে। ভারতের এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী কর্মসূচির লক্ষ্য হল সম্পূর্ণ ভারতীয় রকেটে একজন ভারতীয় নভোচারীকে ভারতীয় মাটি থেকে মহাকাশে পাঠানো। এই কর্মসূচির নভোচারীদের ‘গগনযাত্রী’ বলা হচ্ছে। বিজ্ঞানমহলের বিশ্বাস, ভারতের আসন্ন দেশীয় মহাকাশ মিশনের জন্য তাঁর এই অভিজ্ঞতা বিশেষভাবে সহায়ক হবে।