চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: ২২ এপ্রিলের সেই পৈশাচিক ঘটনার বদলা। পহেলগাঁওকাণ্ডে মঙ্গলবার গভীর রাতে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে প্রত্যাঘাত হানল ভারত। রাত ১:০৫ মিনিট থেকে ১:৩০ মিনিটের মধ্যে চলে এই সামরিক অভিযান। ভারতীয় সেনাবাহিনী পরিচালিত এই প্রত্যাঘাতের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর’। এই অভিযানে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মোট ন’টি জঙ্গিঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
সূত্রের খবর, এই ঘটনার পর জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। নিয়ন্ত্রণরেখায় লাগাতার গোলাগুলি চলছে। আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। ফলে স্কুল-কলেজসহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে একাধিক জেলায়।
কাশ্মীরের কুপওয়ারা, গুরেজ এবং বারামুলায় এই তিন জেলায় বুধবার সমস্ত স্কুল ও কলেজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন কাশ্মীর ডিভিশনাল কমিশনার কুমার বিদুরী। একই সঙ্গে সাধারণ নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সরকারি ওয়েবসাইটে নিয়মিত চোখ রাখার কথা বলা হয়েছে সচেতনতার স্বার্থে।
কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয় বুধবারের সমস্ত পরীক্ষা স্থগিত করেছে। নতুন পরীক্ষার দিনক্ষণ পরে জানানো হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।
জম্মুর পাঁচটি জেলা – জম্মু, সাম্বা, কাঠুয়া, রাজৌরি এবং পুঞ্চতেও স্কুল, কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জম্মুর ডিভিশনাল কমিশনার রমেশ কুমার জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে, পঞ্জাবের সীমান্তবর্তী তিন জেলা ফেরোজ়পুর, পঠানকোট ও অমৃতসরেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফেরোজপুরের ডেপুটি কমিশনার জানিয়েছেন, জেলার সমস্ত স্কুল-কলেজ বুধবার বন্ধ থাকবে। পঠানকোটে ৭২ ঘণ্টার জন্য সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি হয়েছে। এই অবস্থায় সীমান্তবর্তী অঞ্চলজুড়ে আতঙ্কের আবহ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে প্রশাসন।