চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হল লাদাখের নিয়োমা বিমানঘাঁটি। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩,৭০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই বিমানঘাঁটি এখন ভারতের সবচেয়ে উঁচু বিমানঘাঁটি, যা চিন সীমান্ত থেকে মাত্র ৩৫ কিলোমিটার দূরে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘাঁটির উদ্বোধন দেশের সশস্ত্র বাহিনীর কৌশলগত শক্তি ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আনবে।ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এ.পি. সিং হিন্ডন ঘাঁটি থেকে একটি সি-১৩০জে সুপার হারকিউলিস বিমানে চড়ে সরাসরি নিয়োমায় অবতরণ করেন। তাঁর উপস্থিতিতেই বিমানঘাঁটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। ২.৭ কিলোমিটার দীর্ঘ রানওয়ে থেকে রাফাল ও এসইউ-৩০ এমকেআই-এর মতো যুদ্ধবিমান উড্ডয়ন করতে পারবে। এর ফলে সীমান্তে দ্রুত সেনা ও যুদ্ধসামগ্রী পাঠানো সম্ভব হবে (Nyoma Airbase)।
আরও পড়ুনঃ Uttar Pradesh: উত্তরপ্রদেশে বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ! মৃত ২, আহত অন্তত ৫ শ্রমিক
নিয়োমা বিমানঘাঁটি মূলত প্যাংগং, দেমচোক ও ডেপসাং-এর মতো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও দুর্গম এলাকায় বাহিনী মোতায়েন এবং সরঞ্জাম পাঠানোর কাজ করবে। বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন-এর উদ্যোগে ২১৮ কোটি টাকায় নির্মিত এই ঘাঁটির শিলান্যাস করেছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, ২০২৩ সালে।বিশেষজ্ঞদের মতে, চিনেরও একই উচ্চতায় একটি বিমানঘাঁটি রয়েছে। ফলে নিয়োমা ঘাঁটির উদ্বোধন দুই প্রতিবেশীর প্রতিরক্ষা প্রতিযোগিতায় নতুন অধ্যায় খুলে দিল। অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল সঞ্জীব কপূর মন্তব্য করেছেন, লাদাখের এই নতুন বিমানঘাঁটি শুধু চিন নয়, পাকিস্তানের কাছেও নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে।ভারত ও চিনের মধ্যে সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক হলেও, সীমান্তে সেনা প্রত্যাহার সম্পূর্ণ হয়নি। ফলে এ বছরও শীতকালে সীমান্তে সেনা মোতায়েন রাখা হবে বলে জানিয়েছে প্রতিরক্ষা দপ্তর। ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর থেকে পরপর ছয় বছর সীমান্তে এই সতর্কাবস্থা বজায় রয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, নিয়োমা বিমানঘাঁটি ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এক বড় কৌশলগত মাইলফলক, যা ভবিষ্যতে লাদাখসহ গোটা উত্তর সীমান্তে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে (Nyoma Airbase)।
Bangla Jago fb page: https://www.facebook.com/share/17CxRSHVAJ/