ad
ad

Breaking News

Cell Broadcast

আতঙ্ক নয়, সতর্কবার্তা! মোবাইলে কেন এল ‘এক্সট্রিমলি সিভিয়ার অ্যালার্ট’? জানাল কেন্দ্র

কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে, বড় কোনো বিপদ থেকে নাগরিকদের সুরক্ষিত রাখতেই আজ এই পরীক্ষামূলক সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছিল।

india-emergency-mobile-alert-system-launch

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: শনিবার সকালে হঠাৎই দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের মোবাইলে ভেসে ওঠে ‘এক্সট্রিমলি সিভিয়ার অ্যালার্ট’ বা অত্যন্ত জরুরি সতর্কবার্তা। আচমকা এই বার্তার শব্দে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে সরকার সূত্রে জানানো হয়েছে, ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। এটি কোনো বিপদ নয়, বরং কেন্দ্রের একটি নতুন জরুরি সতর্কবার্তা ব্যবস্থার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ ছিল। মূলত প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা যেকোনো ধরনের মনুষ্যসৃষ্ট বিপদের সময় সাধারণ মানুষকে দ্রুত সতর্ক করতেই এই প্রযুক্তি দেশজুড়ে কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র।

শনিবার ২ মে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং কেন্দ্রীয় কমিউনিকেশন মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া যৌথভাবে এই অত্যাধুনিক ‘সেল ব্রডকাস্ট’ প্রযুক্তির সূচনা করেন। কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে, বড় কোনো বিপদ থেকে নাগরিকদের সুরক্ষিত রাখতেই আজ এই পরীক্ষামূলক সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছিল। তাই এই মেসেজ পেয়ে সাধারণ মানুষকে কোনো পদক্ষেপ করতে হবে না বা আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।

এই উদ্যোগের মূল ভিত্তি হলো ‘SACHET’ বা ইন্টিগ্রেটেড অ্যালার্ট সিস্টেম। ভারত সরকারের টেলিকম বিভাগের গবেষণা সংস্থা সি-ডট (C-DOT) সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে এটি তৈরি করেছে। আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী তৈরি এই ব্যবস্থা বর্তমানে দেশের ৩৬টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কার্যকর করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই ১৯টিরও বেশি ভারতীয় ভাষায় ১৩৪ বিলিয়নের বেশি বার্তা এই ব্যবস্থার মাধ্যমে পাঠিয়েছে। মূলত ঘূর্ণিঝড়, আবহাওয়া সংক্রান্ত সতর্কতা ও বিভিন্ন দুর্যোগের সময় এই ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য দেওয়া হয়।

এই প্রযুক্তির বিশেষত্ব হলো, এটি সাধারণ এসএমএস-এর মতো নয়। এটি ফোনের ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ (DND) মোডকেও অগ্রাহ্য করে তীব্র শব্দে ব্যবহারকারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম। মোবাইলের স্ক্রিনে এই বার্তা স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। জরুরি প্রয়োজনে ভূমিকম্প, সুনামি, বজ্রপাত কিংবা রাসায়নিক বা গ্যাস লিকেজের মতো পরিস্থিতিতে এই অ্যালার্ট সরাসরি ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছাবে। এটি সম্পূর্ণ চালু হলে একই সময়ে দেশের সব প্রান্তের মানুষের কাছে দ্রুত জরুরি তথ্য পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা যাবে।