চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla jago Desk: ছত্তিশগড়ে ফের বড় সাফল্য মিলল মাওবাদী বিরোধী অভিযানে। বুধবার সকালে বিজাপুর–দান্তেওয়াড়া সীমান্তের জঙ্গলে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে তীব্র গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৭ জন মাওবাদীর। এই সংঘর্ষে শহিদ হয়েছেন দুই জওয়ান, আহত এক পুলিশকর্মী। এলাকায় এখনও গুলির লড়াই চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ, ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা (Chhattisgarh Maoist)।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সকালে কেসাকুতুল–ভৈরামগড় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ জঙ্গল ঘিরে ফেলে অভিযান শুরু করে যৌথ বাহিনী। অভিযানে অংশ নেয় ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি), স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ), সিআরপিএফ এবং কোবরা ব্যাটালিয়ন। জঙ্গল ঘিরে তল্লাশি চালানোর সময় অতর্কিতে গুলি চালায় লুকিয়ে থাকা মাওবাদীরা। হামলায় ডিআরজির এক জওয়ান শহিদ হন এবং গুরুতর আহত হন আরও এক সদস্য। পরবর্তী গুলির লড়াইয়ে পালটা জবাব দেয় নিরাপত্তাবাহিনী।দীর্ঘ সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থল থেকে সাত মাওবাদীর দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাজেয়াপ্ত হয়েছে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্রও। এলাকা জুড়ে চলছে চিরুনি তল্লাশি। বিজাপুরের এসপি জিতেন্দ্র যাদব জানিয়েছেন, পশ্চিম বস্তার ডিভিশনের সংঘর্ষস্থলে অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানো হয়েছে (Chhattisgarh Maoist)।
Bangla Jago fb page: https://www.facebook.com/share/17CxRSHVAJ/
নিরাপত্তা বাহিনীর এ দিনের অভিযানের পর চলতি বছরে ছত্তিশগড়ে নিহত মাওবাদীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭০-এ। এর মধ্যে শুধু বাস্তার ডিভিশনেই নিহত হয়েছে ২৪১ জন, রায়পুর বিভাগের গড়িয়াবন্দে ২৭ জন এবং দুর্গ বিভাগের মোহলা-মানপুর-আম্বাগড় চৌকিতে আরও দুই জন।উল্লেখ্য, দেশকে ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যেই ‘মাওবাদমুক্ত’ করার লক্ষ্য ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর বার্তা, ‘ আত্মসমর্পণ নয়তো মৃত্যু।‘ সেই লক্ষ্যেই ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ড সহ মাওবাদপ্রধান রাজ্যগুলিতে লাগাতার অভিযান জারি রেখেছে নিরাপত্তাবাহিনী। প্রচুর মাওবাদী আত্মসমর্পণ করে সমাজের মূলস্রোতে ফিরছেন বলেও জানিয়েছে প্রশাসন (Chhattisgarh Maoist)।