চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর হয়ে চরবৃত্তি এবং গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগে গুরুগ্রাম থেকে রিজওয়ান নামে এক আইনজীবীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের হাতে তথ্য তুলে দিচ্ছিলেন বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, একই অভিযোগে তাঁর আরও এক বন্ধুকেও আটক করেছে পুলিশ। তাঁর নাম মুশাররফ ওরফে পারভেজ।রিজওয়ানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং পেশায় আইনজীবী মুশারফ ওরফে পারভেজকে প্রথমে আটক করে পুলিশ। তিনিই তদন্তকারীদের রিজওয়ানের যাতায়াত ও টাকার লেনদেন সম্পর্কে বিস্তারিত জানান (Gurugram)।
মুশারফের দাবি, ২০২২ সালে সোহনা কোর্টে ইন্টার্নশিপের সময় দু’জনের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। চলতি বছরের জুলাই মাসে দু’জনে অমৃতসরে গেলে ‘গোল্ডেন টেম্পল’ চত্বরে কয়েক জন বাইকে আসা ব্যক্তির কাছ থেকে একটি টাকার ব্যাগ সংগ্রহ করেন রিজওয়ান। পরে দুর্ঘটনার কারণে ট্রেনে ফিরলেও আগস্টে আবার অমৃতসর যান তাঁরা—গাড়ি আনতে। সেখানেই মাঝরাতে আবার ‘টাকা আনতে’ বেরিয়ে যান রিজওয়ান। তদন্তে উঠে এসেছে, মোট সাত বার অমৃতসর গিয়ে স্করপিও ও স্কোডা গাড়িতে আসা ব্যক্তিদের থেকে টাকা সংগ্রহ করেছিলেন তিনি। গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে রিজওয়ান স্বীকার করেছেন, মোট ৪১ লক্ষ টাকা নগদ তিনি সংগ্রহ করেন এবং অজয় অরোরা নামে এক ব্যক্তির হাতে তুলে দেন। তাঁর নামে দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও ছিল—পিএনবি এবং ইন্ডাসইন্ড ব্যাংকে। এর মধ্যে পিএনবি অ্যাকাউন্টটি ‘অস্বাভাবিক লেনদেন’-এর কারণে কয়েক মাস আগে বন্ধ হয়ে যায়। তদন্তকারীদের আশঙ্কা, ওই অ্যাকাউন্ট দিয়েই ঘুরত পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের পাঠানো কোটি টাকার হাওয়ালা অর্থ, যা দিয়ে পঞ্জাবে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বাড়ানোর চেষ্টা চলছিল (Gurugram)।
Bangla Jago fb page: https://www.facebook.com/share/17CxRSHVAJ/
রিজওয়ানের ল্যাপটপ ও মোবাইল থেকে সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে। জেরায় তাঁর বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ায় তাঁর বিরুদ্ধে ইউএপিএ এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।অন্যদিকে, এই মামলায় অমৃতসর থেকে আরও তিন জন—সন্দীপ সিং ওরফে গগন, অমরদীপ সিং ও জশকরণ সিংকে গ্রেফতার করেছে সিট। অভিযোগ, পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের পাঠানো বড় অঙ্কের টাকা রিজওয়ানের হাতে পৌঁছে দেওয়া এবং পঞ্জাবে দেশবিরোধী কার্যকলাপে অর্থ জোগানোর দায়িত্ব ছিল তাঁদের ওপর (Gurugram)।