ad
ad

Breaking News

Jagdeep Dhankhar

উপরাষ্ট্রপতির পদ ছাড়তেই মাথার ওপর ছাদ উধাও! হরিয়ানার ফার্মহাউসে দিন কাটছে অসুস্থ জগদীপ ধনকড়ের

পদত্যাগের এক বছর পার, তাও জুটল না সরকারি বাংলো! কোথায় হারিয়ে গেলেন বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল?

Jagdeep Dhankhar Waiting For Official Bungalow

চিত্র- সংগৃহীত

AK Bangla Desk: গোটা দেশকে চমকে দিয়ে দেশের উপরাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন তিনি। তারপর দেখতে দেখতে কেটে গিয়েছে এক বছরেরও বেশি সময়। কিন্তু ভারতের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়ের মাথার ওপর এখনও জোটেনি নিজস্ব কোনও সরকারি বাসভবন! নিয়ম অনুযায়ী দেশের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে রাষ্ট্রীয় একগুচ্ছ সুযোগ-সুবিধা তাঁর প্রাপ্য হলেও, ইস্তফা দেওয়ার এক বছর অতিক্রম করার পরও নিজের পছন্দের টাইপ-এইট (Type VIII) বাংলো হাতে পাননি তিনি। বর্তমানে শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমপ্রকাশ চৌটালার পুত্র অভয় সিং চৌটালার একটি ফার্মহাউসে দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন ভারতের এই প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি।

‘ভাইস প্রেসিডেন্টস পেনশন অ্যাক্ট ১৯৯৭’ অনুযায়ী, দায়িত্ব শেষে ভারতের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতিরা প্রতি মাসে ২ লক্ষ টাকা পেনশনের পাশাপাশি পছন্দের স্থানে দেশের সর্বোচ্চ মানের ‘টাইপ-এইট’ বাংলো পাওয়ার অধিকারী। উক্ত বাসভবনের যাবতীয় জল, বিদ্যুৎ, টেলিফোন, আসবাবপত্র ও রক্ষাবেক্ষণের খরচ বহন করে কেন্দ্র সরকার। এছাড়াও বিনামূল্যে রেল ও বিমান যাত্রা এবং সম্পূর্ণ চিকিৎসা সুবিধা পাওয়ার কথা তাঁদের। কিন্তু সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, ধনকড়ের ক্ষেত্রে এই আবাসন প্রদানের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে রয়েছে।

এর আগে এম ভেঙ্কাইয়া নায়ডু পদত্যাগ করার মাত্র দুই মাসের মধ্যেই তাঁকে যোগ্য বাংলো হস্তান্তর করা হয়েছিল। কিন্তু বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল ধনকড়ের ভাগ্যে পদত্যাগের এক বছর পরেও মেলেনি সেই বাড়ি। ইস্তফা দেওয়ার কয়েক সপ্তাহ পর ক্ষণিকের অতিথি হিসেবে হরিয়ানায় অভয় চৌটালার ফার্মহাউসে গিয়েছিলেন ধনকড়। কিন্তু স্থায়ীবাসের কোনও বিকল্প না থাকায় বাধ্য হয়ে গত এক বছর ধরে সেখানেই থাকতে হচ্ছে তাঁকে। এই বিষয়ে ধনকড় নিজে নীরবতা বজায় রেখেছেন এবং কেন্দ্রীয় গৃহ ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের তরফ থেকেও কোনও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে অত্যন্ত চর্চিত ভূমিকা পালন করার পর তাঁকে দেশের উপরাষ্ট্রপতি পদে আসীন করা হয়। তবে ২০২৫ সালের ২১ জুলাই আচমকাই পদত্যাগ করে রাজনীতি ও লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যান তিনি। গত জুলাইয়ে গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় জয়পুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টিও করাতে হয়। অসুস্থ শরীরে প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিন্যাস নিয়ে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।