চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: শনিবার পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হল ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের। সকালে কংগ্রেসের সদর দফতরে তাঁর মরদেহ শায়িত রাখা হয়। সেখানে কংগ্রেস নেতৃত্ব, অন্য রাজনৈতিক দলের নেতারা এবং সাধারণ মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানান।
কংগ্রেসের সদর দফতর থেকে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় যমুনা নদীর ধারে নিগমবোধ ঘাটে। সেখানেই পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, মল্লিকার্জুন খড়্গে-সহ কংগ্রেসের অন্যান্য নেতারা। এছাড়াও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা অমিত শাহ ও রাজনাথ সিংহ শেষ শ্রদ্ধা জানান।
Paid last respects to former Prime Minister Dr. Manmohan Singh Ji. His service to India will always be cherished. pic.twitter.com/wHXcOLgREH
— Narendra Modi (@narendramodi) December 28, 2024
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও মলয় ঘটক দিল্লিতে কংগ্রেস সদর দফতরে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগেও এই মহান নেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে দিল্লি আসেন। ভুটানের সরকার মনমোহন সিংহের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সমস্ত দূতাবাসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। থিম্পুর একটি বৌদ্ধগুম্ফায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। মরিশাস সরকারও তাদের দূতাবাসে পতাকা অর্ধনমিত রাখে।
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর শেষকৃত্য কোথায় হবে, তা নিয়ে কংগ্রেস ও কেন্দ্রের মধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়। কংগ্রেস দাবি জানায়, রাজঘাট এলাকায় ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী ও বাজপেয়ীর মতো বিশিষ্ট নেতাদের স্মৃতিসৌধের কাছেই মনমোহন সিংহের শেষকৃত্য করা হোক।
কেন্দ্র জানায়, নিগমবোধ ঘাটেই শেষকৃত্য হবে। তবে মনমোহনের স্মৃতিসৌধ তৈরির জন্য পরে উপযুক্ত জায়গা বরাদ্দ করা হবে। শেষকৃত্যের পর স্মৃতিসৌধ নির্মাণ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এই বিতর্ক সত্ত্বেও, শনিবারের শেষকৃত্যে সব পক্ষের উপস্থিতি মনমোহন সিংহের প্রতি সর্বজনীন শ্রদ্ধার প্রতিফলন।