ad
ad

Breaking News

Indigo

সাত দিন ধরে যাত্রীদের দুর্ভোগ, সোমেও বাতিল ইন্ডিগোর একাধিক বিমান

এই চরম অব্যবস্থার জেরে দেশের উড়ান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ ইন্ডিগোকে শো-কজ নোটিস পাঠিয়েছে।

flight-chaos-indigo-cancels-350-flights-7-day-passenger-disruption

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: টানা সাতদিন ধরে অব্যাহত যাত্রী ভোগান্তি। সোমবারও ইন্ডিগোর কমপক্ষে ৩৫০টির বেশি বিমান বাতিল হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিমান বাতিল হয়েছে দিল্লি বিমানবন্দরে। সেখানে ইন্ডিগোর ১৩৪টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। তার মধ্যে ৫৯টি অবতরণ এবং ৭৫টি উড্ডয়নের কথা ছিল। বেঙ্গালুরু বিমানবন্দর থেকে বাতিল হয়েছে ১২৭টি উড়ান, চেন্নাই থেকে ৭১টি। কলকাতা, মুম্বই, আমেদাবাদ ও বিশাখাপত্তনম বিমানবন্দর থেকেও একাধিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।গত কয়েকদিন ধরে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ ছিল। শুক্রবার মাত্র ৭০৬টি ফ্লাইট চালু রাখতে পেরেছিল ইন্ডিগো। শনিবার ও রবিবার হাজারের কাছাকাছি উড়ান বাতিল হয়। রবিবার একাই ৬৫০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। যেখানে ইন্ডিগো সাধারণত প্রতিদিন প্রায় ২,৩০০টি ফ্লাইট পরিচালনা করে।  

এই চরম অব্যবস্থার জেরে দেশের উড়ান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ ইন্ডিগোকে শো-কজ নোটিস পাঠিয়েছে। কেন এমন ভেঙে পড়ল পরিষেবা, তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব চাওয়া হয়েছে। ইন্ডিগোর আবেদনে একদিন বাড়তি সময় দেওয়া হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।এদিকে, কেন্দ্রের অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক জানিয়েছে, বাতিল হওয়া বিমানের যাত্রীদের এখনও পর্যন্ত ৬১০ কোটি টাকা টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৩,০০০-রও বেশি যাত্রীর লাগেজ ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়াও চলছে।

সূত্রের খবর, এই সংকটের মূল কারণ জানুয়ারিতে ডিজিসিএ জারি করা নতুন নিয়ম, ফ্লাইট ডিউটি টাইম লিমিটেশনস। এই বিধি ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। এই নিয়ম অনুযায়ী পাইলট ও কেবিন ক্রুদের কাজের সময় কঠোরভাবে বেঁধে দেওয়া হয়েছে।ইন্ডিগোর বহু বিমান রাতের দিকে চলাচল করে এবং তুলনামূলকভাবে কম খরচে পরিষেবা দেয়। নতুন নিয়ম মানতে গেলে অতিরিক্ত পাইলট ও কর্মীর প্রয়োজন, যা বর্তমানে সংস্থার কাছে পর্যাপ্ত নেই। অভিযোগ, আগাম প্রস্তুতি না নেওয়াতেই আজ এই বিপর্যয়।এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে বির্তক। কংগ্রেসের অভিযোগ, কেন্দ্র এতদিন ইন্ডিগোর বিরুদ্ধে কঠোর হয়নি। যাত্রী সুরক্ষার প্রশ্নে আপস করার অভিযোগও উঠেছে।যদিও ইন্ডিগোর দাবি, ৯৫ শতাংশ পরিষেবা ইতিমধ্যেই স্বাভাবিক হয়েছে এবং আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পুরোপুরি পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবে এখনও যাত্রীভোগান্তি অব্যাহত।