ad
ad

Breaking News

Delhi Air Pollution

Delhi Air Pollution: দিওয়ালির পর দূষণে হাঁসফাঁস দিল্লি, এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স ছুঁয়েছে ৩৫০-এর ঘর

পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, পার্শ্ববর্তী পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় ফসলের নাড়া পোড়ানোর ফলেই রাজধানীর দূষণের মাত্রা ক্রমশ বাড়ছে।

Delhi Air Pollution AQI at 311, Toxic Smog

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: বায়ু দূষণ মানেই দিল্লি। দিওয়ালির পর থেকেই ধোঁয়ার চাদরে ঢেকেছে দিল্লি। শীতের শুরুতেও বাতাসের গুণমানে তেমন কোনও পরিবর্তন ঘটেনি। গত দু’দিনে কিছুটা উন্নতি হলেও রাজধানীর বাতাসের ‘বিষ’ যে এখনও কাটেনি, শুক্রবার সকালে তা স্পষ্টভাবে টের পেলেন দিল্লিবাসী। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের (সিপিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লির গড় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স ছিল ৩১১, যা ‘অতি খারাপ’ শ্রেণিতে পড়ে। সবচেয়ে বেশি দূষিত অঞ্চলগুলির মধ্যে রয়েছে উত্তর ও মধ্য দিল্লি। মধ্য দিল্লির আয়কর দপ্তর এলাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স ছিল ৩৩৪, উত্তর দিল্লির নারেলাতে ৩৩৩, আর চাঁদনি চক এলাকায় তা ছাড়িয়েছে ৩৫০। ইন্দিরা গান্ধি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকাতেও এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স  প্রায় ৩০০ ছুঁয়েছে। রাজধানী দিল্লির বাতাসে দূষণের মাত্রা এখনও উদ্বেগজনক (Delhi Air Pollution)। 

আরও পড়ুনঃ মা-বাবা হলেন ক্যাটরিনা-ভিকি, পুত্র সুখের কথা জানালেন ভিক্যাট

পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, পার্শ্ববর্তী পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় ফসলের নাড়া পোড়ানোর ফলেই রাজধানীর দূষণের মাত্রা ক্রমশ বাড়ছে। দিল্লি দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের ডিসিশন সাপোর্ট সিস্টেমের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিনে বাতাসে ক্ষতিকর পিএম ২.৫ ধূলিকণার উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বৃহস্পতিবার সেই পরিমাণ ছিল ৩৬.৯ শতাংশ, শনিবার তা কিছুটা কমে ৩২.৪ শতাংশে নামতে পারে বলে অনুমান। তবে ফসলের নাড়া পোড়ানোর কারণে পিএম ২.৫ ধূলিকণার পরিমাণ ২১.৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে (Delhi Air Pollution)।

Bangla Jago fb page: https://www.facebook.com/Banglajagotvofficial

পর্ষদ জানিয়েছে, আগামী ৮ নভেম্বর পর্যন্ত দিল্লির বাতাস ‘অতি খারাপ’ থেকে ‘খারাপ’ স্তরের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। ফলে রাজধানীর দূষণ পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে আসার সম্ভাবনা খুবই কম। এদিকে, ক্রমবর্ধমান দূষণ নিয়ে সরব নাগরিক সমাজ। বৃহস্পতিবার দিল্লির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা যন্তরমন্তরের সামনে বিক্ষোভ-মিছিল করেন। তাঁদের অভিযোগ, দূষণ নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্র ও রাজ্য প্রশাসনের ব্যর্থতাই এই ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য দায়ী (Delhi Air Pollution)।