চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: ফের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে উত্তপ্ত ছত্তিশগড়। কাঁকেড় জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে রবিবার তিন নকশাল নিহত হয়েছে। পুলিশের এক শীর্ষ কর্তা জানিয়েছেন, এদিন সকালেই কাঁকেড়-গাড়িয়াবাঁধ জেলার সীমানা সংলগ্ন রবাস অরণ্যে অভিযানের সময় এই গুলির লড়াই শুরু হয় (Chhattisgarh)।
[আরও পড়ুন: বিসিসিআই-এর নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন মিঠুন মানহাস]
অভিযানে অংশ নেয় কাঁকেড় ও গাড়িয়াবাঁধ জেলার ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি)-এর সদস্যরা। এখনও এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে গুলি চলার খবর রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে তিন মাওবাদীর দেহ এবং তিনটি অস্ত্র উদ্ধার করেছে বাহিনী। নিহতদের মধ্যে মাওবাদীদের এরিয়া কমিটি সদস্যও রয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর (Chhattisgarh)।
পুলিশের হিসাবে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ছত্তিশগড়ে বিভিন্ন জেলায় মোট ২৫২ জন নকশাল নিহত হয়েছে। এর মধ্যে বস্তার ডিভিশনে ২২৩ জন, যার অন্তর্গত সাতটি জেলা, কাঁকেড়ও যার একটি। রায়পুর ডিভিশনের গাড়িয়াবাঁধ জেলায় নিহত হয়েছে ২৭ জন নকশাল। পাশাপাশি দুর্গ ডিভিশনের মোহলা-মানপুর-আমবাগড় চৌকি জেলায় গুলির লড়াইয়ে নিহত হয়েছে ২ জন। এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর নারায়ণপুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছিল দুই শীর্ষ মাওবাদী নেতা। তারা হল রাজু দাদা এবং কোসা দাদা (Chhattisgarh)।
FB POST: https://www.facebook.com/share/r/1CZaEmuC8u/
দু’জনই নিষিদ্ধ সিপিআই (মাওবাদী)-র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। উল্লেখ্য, মাওবাদী দমনে কড়া কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। একের পর এক অভিযান করেছেন। মাওবাদী দমনে যথেষ্ট কড়া নীতি নিয়েছেন। তাতে সাফল্যও পেয়েছেন। প্রচুর মাওবাদী নেতা ও ক্যাডার আত্মসমর্পণ করেছেন। নয়তো অভিযানে মৃত্যু হয়েছে। এর আগেও একাধিক অভিযানে যথেষ্ট সাফল্য পেয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ছত্তিশগড় এমন একটি রাজ্য যেখানে মাওবাদীদের অত্যাচার সব থেকে বেশি। পিছিয়ে পড়া এই রাজ্য়ের একের পর এক নৃশংস হামলা চালিয়েচিল মাওবাদীরা। তাতে সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। মাওবাদী হামলায় মৃত্যু হয়েছে জওয়ানদেরও (Chhattisgarh)।