ad
ad

Breaking News

Variable Energy Cyclotron Centre

গঙ্গাপার সাফাইয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থা ভিইসিসি

দিন যত যাচ্ছে ততই আবর্জনায় দূষিত হচ্চে গঙ্গাপার থেকে শুরু করে গঙ্গার উৎসস্থল। প্লাস্টিক সহ একাধিক বর্জ্যপদার্থর স্তুপ জমছে সেখানে।

Central agency VECC to clean Ganga

চিত্র: সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: দিন যত যাচ্ছে ততই আবর্জনায় দূষিত হচ্চে গঙ্গাপার থেকে শুরু করে গঙ্গার উৎসস্থল। প্লাস্টিক সহ একাধিক বর্জ্যপদার্থর স্তুপ জমছে সেখানে। কেন্দ্রীয় পরমানু শক্তি দফতরের অধীনে পরমানু গবেষণা কেন্দ্র ভিইসিসি তথ্য অনুযায়ী, গঙ্গার উৎস্থল গোমুখ হিমবাহ থেকে নেমে গঙ্গা যে পথ ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রবাহিত হচ্ছে, সেই সব জায়গার অবস্থা আরও শোচনীয়।

[আরও পড়ুন: সামিকে অস্ট্রেলিয়ার পরবর্তী বিমানেই দেখতে চান সৌরভ]

এবার গঙ্গাকে দূষণমুক্ত করার প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে ভিইসিসি। সল্টলেকে বৃহস্পতিবার তাদের দফতরের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করে জানানো হয়, তিন বছর গোমুখ থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত গঙ্গার পার সাফাই করা হবে এই প্রকল্পে। সেইসঙ্গে চালানো হবে সচেতনতামূলক প্রচারও। সেই অভিযানেরই প্রথম পর্যায়, গোমুখে থেকে শুরু করে হরিদ্বার পর্যন্ত গঙ্গার একাধিক ঘাটে সাফাইয়ের কাজ। সাফাইয়ের পর স্থানীয় পুর সংস্থাগুলিকে জমা দেওয়া হয় ৩১০ কিলোমিটার রাস্তা থেকে ২২০ কিলোগ্রাম আবর্জনা।

ভিইসিসি সূত্রে খবর, ভ্রমণ থখেকে তীর্থযাত্রা, এছাড়া আরও একাধিক কারণে প্লাস্টিক সহ অপচনশীল আবর্জনায় ছেয়ে গিয়েছে গঙ্গার পার। তাদের অভিযান  চলাকালীনই তাদের তরফ থেকে প্রচার চালানো হয়, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক এমন কোনও বস্তু যেন গঙ্গায় না ফেলা হয়। প্রাথমিকভাবে এই অভিযানে তাদের তরফ থেকে ৬ জন সদস্য গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তাদের সেই অভিযানে যুক্ত হন প্রয় ৬০০ জন সাধারন মানুষ।

[আরও পড়ুন: প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আরও শক্তিশালী ভারত হাইপারসনিক ক্ষেপনাস্ত্রের সফল পরীক্ষা]

ভিইসিসর তরফ থেকে জানানো হয়, তাদের এই অভিযানের রিপোর্ট পাঠানো হবে কেন্দ্রীয় সরকারে। এছাড়াও তারা জানান, পরমাণু শক্তি সম্পর্কিত বিষয় তাদের কাজের তালিকায় থাকলেও, বর্তমানে তারা শুরু করেছে পরিবেশ সংক্রান্ত কাজও। প্রকৃতিকে প্লাস্টিক পরে থাকলে তা এক বাজার বছরেও নষ্ট হয়না। তবে পরমানু শক্তিকে ব্যবহার করলে তা সক্ষম। তাই এই উদ্যোগ গ্রহণ বলে জানানো হল ভিইসিসির তরফে।