ad
ad

Breaking News

Nepal Disaster

বড় বিপদের আশঙ্কা! নেপালের প্লাবনের জলে ভেসে আসা মাছ নিয়ে চরম সতর্কবার্তা বিহার সরকারের!

নদী-পুকুরে থিকথিক করছে অচেনা প্রজাতির মাছ! ধরে খেলেই নামছে বিপত্তি, মাথায় হাত এলাকাবাসীর!

Bihar Issues Warning On Flood Fish Foreign Species Nepal Disaster

ফাইল ছবি

AK Bangla Desk: নেপালের ভয়াবহ হড়পা বান ও প্লাবনের প্রভাবে এবার চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে ভারতের সীমান্তঘেঁষা রাজ্যগুলিতে। নেপাল থেকে নেমে আসা প্রবল জলস্রোতে বিহার ও উত্তরপ্রদেশের গণ্ডক, কোশি এবং অন্যান্য সীমান্ত নদীগুলিতে জলস্তর আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে চরম বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আর এই প্লাবনের জলের সঙ্গেই হু হু করে ভেসে আসছে প্রচুর পরিমাণে অপরিচিত ও অনভ্যস্ত প্রজাতির মাছ। তবে সেই মাছ খাওয়া যে কোনও মুহূর্তে প্রাণঘাতী হতে পারে, তা নিয়ে রাজ্যবাসীকে চরম সতর্ক করল বিহার সরকার। আপাতত প্লাবনের জল থেকে মাছ ধরা, বাজারে বিক্রি করা এবং খাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে বিহারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, নেপালের প্রলয়ংকারী বন্যায় ইতিমধ্যেই ১০০০-এর বেশি মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ। এর পাশাপাশি অগণিত গরু, ছাগল, কুকুর ও অন্যান্য পশুপাখির পচাগলা দেহ ভাসছে নদীগুলির জলে। ফলে জল চরম মাত্রায় দূষিত হয়ে পড়েছে। সেই পচে যাওয়া মৃতদেহ ও ক্ষতিকর বজ্রপদার্থ ভক্ষণ করেই বেঁচে রয়েছে নদী-পুকুরের মাছগুলি। ফলস্বরূপ, ওই মাছগুলির দেহে প্রচুর পরিমাণে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া, মারণ ভাইরাস ও নানা ধরনের সংক্রামক রোগজীবাণু বাসা বেঁধেছে।

ইতিমধ্যেই নেপাল সীমান্তঘেঁষা একাধিক গ্রামে প্লাবনের জলের মাছ খেয়ে বহু মানুষের অসুস্থ হয়ে পড়ার খবর সামনে এসেছে। পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠায় বিহারের দুগ্ধ, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ বিভাগ বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, নর্দমার নোংরা জল ও পচনশীল মৃতদেহের সংশ্রমে থাকা এই মাছগুলি মানুষের খাওয়ার জন্য একেবারেই নিরাপদ নয়। নেপাল পুলিশও সে দেশের নাগরিকদের উদ্দেশ্যে একই ধরনের সতর্কবার্তা জারি করেছে।

প্রশাসনের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বন্যা পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এবং পরিবেশ জীবাণুমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষ যেন জলাশয় বা নদী থেকে ভেসে আসা কোনও মাছ কেনাবেচা বা ভক্ষণ না করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জল নিরাপদ ঘোষিত হলেই এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে।