ad
ad

Breaking News

Baba Siddiqui

বাবা সিদ্দিকির ‘খুনে’ বিষ্ণোই গ্যাং,ভোটের আগে প্রশ্নের মুখে আইনশৃঙ্খলা,মারাঠা ভূমে খুন ঘিরে চাপানউতোর

প্রাক্তন মন্ত্রীও এনসিপি নেতা বাবা সিদ্দিকি খুনের ঘটনায় মহারাষ্ট্রে চাপানউতোর চরমে। ২অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে জেরা চালাচ্ছে পুলিশ।

Baba Siddiqui's 'Khune' Bishnoi gang

Bangla Jago Desk: প্রাক্তন মন্ত্রীও এনসিপি নেতা বাবা সিদ্দিকি খুনের ঘটনায় মহারাষ্ট্রে চাপানউতোর চরমে। ২অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে জেরা চালাচ্ছে পুলিশ। বিষ্ণোই গ্যাং খুনের দায় স্বীকার করেছে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ব্যর্থতার বিরুদ্ধে সরব বিরোধীরা। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী থেকে মল্লিকার্জুন খাড়্গের তোপ,মহারাষ্ট্রে ভেঙে পড়েছে আইনশৃঙ্খলা শরিক দলের নেতার খুনের ঘটনায় এনডিএ-র শরিকী  টানাপোড়েন বাড়ছে।

[আরও পড়ুনঃ রাজ্য থেকে বিদায় নিয়েছে বর্ষা, লক্ষ্মী পুজোয় কেমন থাকবে আবহাওয়া?

দশেরা উৎসবের মাঝে মহারাষ্ট্রে শক্তি প্রদর্শনে নামে শিণ্ডে বনাম উদ্ধব গোষ্ঠী। পরস্পরবিরোধী আক্রমণের ঝাঁজ বাড়িয়ে দুই গোষ্ঠী বুঝিয়ে দেয় ভোট আসছে। আর সেই বাগযুদ্ধের মাঝেই ঘটে গেল এক নৃশংস খুনের ঘটনা। গুলিতে ঝাঁজরা করে দেওয়া হয় এনসিপি নেতা বাবা সিদ্দিকিকে। ৩বন্দুকবাজ কাছ থেকে এসে  গুলি করে প্রাক্তন মন্ত্রী ও এনসিপি অজিত পাওয়ার গোষ্ঠীর নেতা বাবা সিদ্দিকিকে। বান্দ্রা পূর্ব এলাকায় শনিবার রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ, বাবা সিদ্দিকির বুক লক্ষ্য করে বেপরোয়া বন্দুকবাজরা গুলি চালায়। পরে গুলিবিদ্ধ বাবা সিদ্দিকির মৃত্যু হয়। এই হাইপ্রোফাইল খুনের ঘটনার দায় স্বীকার করে নেয় বিষ্ণোই গোষ্ঠী। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের  খুনের পর বিজেপি বিরোধী শিবির রাজ্য সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানায়।

মহারাষ্ট্রে নির্বাচনের আগে এই খুনের পিছনে কী কোনও রাজনৈতিক গেমপ্ল্যান রয়েছে,নাকি বস্তি পুর্নবাসনে দুর্নীতির জন্য খুন তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ভোটের কয়েকমাস আগে চাপের মুখে পুলিশ শুরু করে ধরপাকড়।ধরা হয় ২কুখ্যাত খুনীকে। পুলিশের তরফে জানা গেছে,৩বন্দুকবাদ এই খুনের নেপথ্যে ছিল। ২জনকে তড়িঘড়ি ধরে পুলিশ। বছর ২৩-র অভিযুক্ত গুরমাইল বালজিত সিংয়ের বাড়ি হরিয়ানায়। আর বছর ১৯-র    ধরমরাজ কাশ্যপের বাড়ি উত্তরপ্রদেশে। তৃতীয় জন শিব কুমার গৌতমের বাড়ি উত্তরপ্রদেশে। তবে এই খুনের মাথা কে তা চিহ্নিত করতে এখনও ব্যর্থ পুলিশ,দাবি বিরোধীদের। পুলিশের তদন্তে আভাস মিলছে.মোটা টাকা সুপারি দিয়ে বাবা সিদ্দিকে সরিয়ে দেওয়ার ছক কষে প্রভাবশালী গ্যাং।

বছর ৬৬-র বাবা সিদ্দিকির খুন ঘিরে রাজনৈতিক চাপান উতোর চরমে পৌঁছেছে। অজিত পাওয়ারের ঘনিষ্ঠ বাবা সিদ্দিকির অকালমৃত্যুর জন্য কংগ্রেস,শিবসেনা উদ্ধব গোষ্ঠী বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে সমালোচনায় মুখর হয়। রাহুল গান্ধী,মল্লিকার্জুন খাড়্গের মতোই উদ্ধব গোষ্ঠীও আক্রমণের ধার বাড়িয়েছে সরকার পক্ষকে। বলিউডের গ্ল্যামার জগতের ঘনিষ্ঠ বাবা সিদ্দিকি। তিনি ভাইজানের খুব কাছের ছিলেন। প্রভাবশালী নেতা খুন হওয়ায় মহারাষ্ট্রে তোলপাড় পড়ে গেছে।

[আরও পড়ুনঃ ড্রোনে চড়ে রাবন বধ হনুমানের! তাক লাগালো উন্নত প্রযুক্তি

বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের স্নায়ুর চাপ বেড়েছে। শিণ্ডে সরকারের শরিক হওয়া সত্ত্বেও কিভাবে অজিত পাওয়ার খুন নিয়ে সরকারকে ছেড়ে কথা বলছে তা নিয়ে এনসিপির একাংশ প্রশ্ন তুলছে। সবমিলিয়ে মহারাষ্ট্রে নির্বাচনের আগে এই প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের খুন বিজেপির নেতৃত্বাধীন সরকারের আইনশৃঙ্খলাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। কেন আইনশৃঙ্খলার অবনতির পরেও জোট সরকার হাল ফেরাতে ব্যর্থ তা নিয়ে সোচ্চার অবিজেপি দলগুলো।