ad
ad

Breaking News

Army man accused of urinating on train seat while drunk

Chhattisgarh: মদ্যপ অবস্থায় ট্রেনের সিটে প্রস্রাব করার অভিযোগে অভিযুক্ত সেনাকর্মী! কোনও সুরাহা পাননি জানান মহিলা যাত্রী

দিল্লি থেকে ছত্তিশগড় যাওয়ার পথে ট্রেনের আপার বার্থ সিটে এক সেনার আচরণে ক্ষুব্ধ মহিলা যাত্রী। এদিন যাত্রাপথে সেনা কর্মীর বিরুদ্ধে মদ্যপ থাকার অভিযোগ তোলেন সেই যাত্রী।

Army man accused of urinating on train seat while drunk

ছবিঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: দিল্লি থেকে ছত্তিশগড় যাওয়ার পথে ট্রেনের আপার বার্থ সিটে এক সেনার আচরণে ক্ষুব্ধ মহিলা যাত্রী। এদিন যাত্রাপথে সেনা কর্মীর বিরুদ্ধে মদ্যপ থাকার অভিযোগ তোলেন সেই যাত্রী। সঙ্গে বলেন সফর চলাকালীন ওই সেনা কর্মী নিজের আসনে প্রস্রাব করেন। এবং তা সেই নীচে বসা মহিলার আসনে গড়িয়ে পরে যখন তিনি ঘুমোচ্ছিলেন সেই সময়। গন্ডোয়ানা এক্সপ্রেসে ঘটা এই ঘটনাটির বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ জানালেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি রেলের তরফ থেকে অভিযোগ তোলেন সেই যাত্রী। এদিন দিল্লির হজরত নিজামুদ্দিন থেকে ছত্তিশগড়ের দুর্গ’এর যাত্রাপথে ঘটনাটি ঘটেছে। 

এবং যাত্রীরা এও জানান সেনা কর্মী সেইদিন মদ্যপ অবস্থায় ট্রেনের বি-৯ কোচের ২৪ নম্বর বার্থ দখল করে বসেছিলেন। এবং বছর ২৩ এর যুবতী যখন ঘুমোচ্ছিলেন সেই সময় ওই সেনাবাহিনীর কর্মী নিজের সিটেই প্রস্রাব করে ফেলেন। এবং সেই প্রস্রাব এসে পরে সেই যুবতীর গায়ে। যিনি তাঁর স্বামী এবং ৭ বছরের শিশুর সঙ্গে সেই সময় সফর করছিলেন।এরপর যখন মহিলা তাঁর স্বামীকে বিষয়টি জানায়, হিমাচল সিংহ সেই মুহূর্তে রেলের হেল্পলাইনে বিষয়টি জানালেও কোনও উচিত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি তাঁদের তরফ থেকে। তাঁরা জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে রেলের কর্মীরা এসে ছবি তুলে নিয়ে যান। এরপর ঝাঁসি’তে ট্রেনটি এসে পৌঁছলেও সেখান থেকে RPF, GRP এবং MCAO এর সদস্যরা ট্রেনে উঠলেও তাঁদের তরফ থেকে কোনও উচিত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি ওই সেনার বিরুদ্ধে।

ঘটানটি নিয়ে, সঞ্জয় আর্য, আরপিএফ এর দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ইনচার্জ জানান, ঘটনাটি সত্যি যে ওই সেনা কর্মী মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন এবং তাঁর প্যান্ট ভিজে ছিল, কিন্তু যে সময়ে তাঁরা সেখানে পৌঁছেছিলেন সেখানে তাঁরা মহিলার আসনের সন্ধান পাননি। তাই তাঁরা আসন পরিবর্তনের সুযোগ করে দিতে পারেননি, আধিকারিকরা আরও বলেন। তবে সঠিক পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য মহিলা তাঁর অভিযোগটি অনলাইনে জানিয়েছেন সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (PMO) এবং রেলমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করেছেন।