গ্রাফিক্স: নিজস্ব
Bangla Jago Desk: ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদীদের গুলির লড়াই চলছে। আর তাতেই এক জন নকশালের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কিস্তারাম থানা এলাকার একটি জঙ্গলে মাওবাদী বিরোধী যৌথ অভিযানে বের হয় নিরাপত্তা বাহিনী।
জেলা রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি), স্পেশাল টাস্ক ফোর্স এবং সিআরপিএফের কোবরা-র ২১০তম ব্যাটালিয়নের সদস্যরা এই অভিযানে অংশ নেন। তখনই নিরাপত্তা বাহিনী এবং মাওবাদীদের মধ্যে গুলির লড়াই শুরু হয়। তাতেই নিকেশ হয় এক মাওবাদী। সংঘর্ষস্থল এবং আশেপাশের এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনী তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে বলে শুক্রবার জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে। বলা বাহুল্য, বর্তমানে ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলায় লাগাতার অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তারক্ষী বাহিনী।আর তাতেই নিকেশ হচ্ছে একের পর এক মাওবাদীরা।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে মাওবাদমুক্ত ভারত গড়ার বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এরপরেই বস্তার অঞ্চলে জঙ্গি দমন অভিযানে প্রায় ২৪ হাজার নিরাপত্তা কর্মী যুক্ত হন। ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি), বস্তার ফাইটার্স, স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ), রাজ্য পুলিশের সমস্ত ইউনিট, সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ) এবং এর অভিজাত ইউনিট কোবরা সহ বিভিন্ন ইউনিটের কর্মীরা এই অভিযানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। ২০২৪ সালে বস্তার অঞ্চলে নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে মৃত্যু হয়েছে ২৮৭ জন মাওবাদীর।
গ্রেফতার হয়েছে হাজারেরও বেশি, পাশাপাশি আত্মসমর্পণ করেন ৮৩৭ জন। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ছত্তিশগড়ের পৃথক এনকাউন্টারে ১৪৬ জন নকশালকে খতম করা হয়েছে। এর মধ্যে বিজাপুর-সহ সাত জেলা নিয়ে গঠিত বস্তার ডিভিশনে ১২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেইসঙ্গে এখন পর্যন্ত শত শত নকশাল আস্তানা ও বাঙ্কার ধ্বংস করা হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক দ্রব্য, ডেটোনেটর, খাদ্য মজুদ এবং নিত্যব্যবহারের সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই পরিস্থিতিতে রীতিমতো চাপে পড়েছে মাওবাদীরা।