চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) শ্রীকাকুলামে অবস্থিত ভেঙ্কটেশ্বর স্বামী মন্দিরে যেভাবে পদপিষ্ট হয়ে একাধিক পুন্যার্থীর মৃত্যু হয়েছে, তা দেখে মর্মাহত হয়েছেন সেই রাজ্যের মানুষ থেকে শুরু করে গোটা ভারতবর্ষ। শোকপ্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু থেকে শুরু করে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে এরই মাঝে সকলের সামনে আসে পরিকল্পনাহীন নির্মাণ ও বিশাল অব্যবস্থার বিষয়টি। সেই অভিযোগ মানতে নারাজ মন্দিরের নির্মাতা হরি মুকুন্দ।
আরও পড়ুন: ফাঁকা বাড়ির সুযোগ নিয়ে চুরি, চন্দ্রকোণায় পুজো দেখতে যাওয়ায় সর্বস্বান্ত পরিবার
তাঁর দাবি, যা হয়েছে তা ঈশ্বরের ইচ্ছায় হয়েছে। হরি মুকুন্দ বলেন, “এটা ঈশ্বরের লীলা। কারোর কোনও হাত নেই এতে।” পুলিশকে না জানানো প্রসঙ্গেও তিনি নিজের অবস্থান জানিয়েছেন। ৯৪ বছর বয়সী ওড়িশার হরি মুকুন্দ বলেছেন, “আমার নিজের জায়গায় এই মন্দির তৈরি। সুতরাং পুলিশ ডাকব কেন?” এক কথায়, যাবতীয় সব অভিযোগ অস্বীকার করলেন হরি মুকুন্দ ( Andhra Pradesh)।
প্রসঙ্গত, একাদশী উপলক্ষে শনিবার মন্দিরে ভিড় জমান হাজার হাজার পুণ্যার্থী। সেখান থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। অনেকে ধাক্কাধাক্কি ও হুড়োহুড়ির জেরে মাটিতে পড়ে যান। পদপিষ্ট হয়ে প্রাণ হারান ১২ জন এবং আহতের সংখ্যা ৩০। ঘটনা জানাজানি হতেই শোকপ্রকাশ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু। পাশাপাশি, দুঃখপ্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। যদিও এর সঙ্গে তিনি আর্থিক সহায়তার কথাও ঘোষণা করেন। তিনি মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার পাশাপাশি আহতদের ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। যদিও ধর্মস্থানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা পুরনো নয়, এর আগেও একাধিকবার হয়েছে (Andhra Pradesh)।