ad
ad

Breaking News

Anandapur Fire Tragedy

আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে শোকস্তব্ধ প্রধানমন্ত্রী! মৃতদের পরিবার ও আহতদের জন্য বড় আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা

তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন

Anandapur Fire Tragedy

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকায় ঘটে যাওয়া বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুক্রবার নিজের এক্স হ্যান্ডলে এই দুর্ঘটনাকে অত্যন্ত মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক বলে বর্ণনা করেছেন তিনি। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে এই ঘটনায় মৃতদের প্রত্যেকের পরিবারকে এককালীন ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।

গত কয়েকদিনের উদ্ধারকাজে আনন্দপুরের সেই পুড়ে যাওয়া ডেকরেটর গুদাম ও মোমো কারখানা থেকে এখন পর্যন্ত ২৫ জনের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে পরিস্থিতির ভয়াবহতা এখনও কাটেনি, কারণ পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অন্তত ২৭ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের সন্ধানে তল্লাশি জারি থাকলেও নিখোঁজদের ফিরে পাওয়ার আশা ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসছে। ঘিঞ্জি এলাকায় সুরক্ষা বিধি লঙ্ঘন করে এই কারখানা চলছিল কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে।

এদিকে এই অগ্নিকাণ্ডকে কেন্দ্র করে তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক আঙিনা। ঘটনার প্রতিবাদে এবং দায়ীদের কঠোর শাস্তির দাবিতে শুক্রবার সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন ইএম বাইপাস সংলগ্ন গড়িয়া ঢালাই ব্রিজ এলাকা থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করেন তিনি। বিশাল এই মিছিলটি নরেন্দ্রপুর থানা পর্যন্ত যায়। মিছিলে অংশ নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী প্রশাসনের ব্যর্থতাকে দায়ী করেন এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।কেন্দ্রীয় সরকারের এই আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা এবং বিরোধী শিবিরের এই আন্দোলন আনন্দপুর কাণ্ডকে জাতীয় ও স্থানীয় স্তরে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। উদ্ধারকাজ শেষ হওয়ার পর মৃতদের শনাক্তকরণের জন্য ডিএনএ পরীক্ষার মতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ধরণের অবৈধ কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়, এখন সেটাই দেখার।