ad
ad

Breaking News

Ajit Pawar

সরকারি জমি কেনায় বিতর্কে অজিত পওয়ারের ছেলে পার্থ

তবে তাতে পার্থ পওয়ারের নাম নেই। জানা গিয়েছে, আমেডিয়া এন্টারপ্রাইজ-এ পার্থের শেয়ার রয়েছে ৯৯ শতাংশ, বাকি এক শতাংশ শেয়ার রয়েছে তাঁর ব্যবসায়িক সহযোগী দিগ্বিজয় পাটিলের নামে।

ajit-pawar-son-parth-pawar-land-scam-pune-plot-controversy

চিত্রঃ নিজস্ব গ্রাফিক্স

Bangla Jago Desk: সরকারি জমি কেনার অভিযোগে নতুন করে বিতর্কে জড়ালেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের ছেলে পার্থ পওয়ার। অভিযোগ, পুণের মুন্ধওয়ায় সরকারি মালিকানাধীন এক বিতর্কিত জমি বেআইনি ভাবে কিনেছে পার্থের সংস্থা আমেডিয়া এন্টারপ্রাইজ। যদিও অজিত পাওয়ার দাবি করেছেন, ওই জমি কেনার চুক্তি ইতিমধ্যেই বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু প্রশাসনিক সূত্রের খবর, চুক্তি বাতিল করতে গেলেও সংস্থাটিকে গুনতে হতে পারে প্রায় ৪২ কোটি টাকা অতিরিক্ত স্ট্যাম্প ডিউটি হিসেবে। 

যুগ্ম সাব-রেজিস্ট্রার এপি ফুলাওয়ারে স্পষ্ট জানিয়েছেন, ওই সংস্থাকে সাত শতাংশ হারে স্ট্যাম্প ডিউটি দিতে হবে। চুক্তি বাতিল করতে গেলেও সেই হারে অতিরিক্ত শুল্ক গুনতে হবে। তাঁর নির্দেশনামায় বলা হয়েছে, স্ট্যাম্প ডিউটি পরিশোধের পরেই দলিল বাতিল করা যাবে।প্রশাসনের এক কর্তা জানান, জমি কেনার সময় সংস্থাটি দাবি করেছিল, সেখানে একটি ডেটা সেন্টার গড়ে তোলা হবে। সেই কারণেই স্ট্যাম্প ডিউটি মকুবের আবেদন করা হয়। কিন্তু পরে জানা যায়, জমিটি আসলে সরকারি মালিকানাধীন।বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছে, ওই সরকারি জমির বাজারমূল্য প্রায় ১,৮০০ কোটি টাকা, অথচ তা মাত্র ৩০০ কোটি টাকায় বিক্রি করা হয়েছে আমেডিয়া এন্টারপ্রাইজ-এর কাছে। এমনকি ২১ কোটি টাকার স্ট্যাম্প ডিউটিও অবৈধভাবে মকুব করা হয়েছে বলে অভিযোগ। শিবসেনা (ইউবিটি) এবং কংগ্রেস দুই দলই এই চুক্তিকে ‘ বেআইনি সুবিধা’ বলে আখ্যা দিয়েছে।

প্রশাসনিক কর্তাদের দাবি, এখন যদি সংস্থাটি ওই জমি বিক্রির চুক্তি বাতিল করতে চায়, তবে দ্বিগুণ হারে স্ট্যাম্প ডিউটি দিতে হবে। জমি কেনাবেচায় অনিয়ম ও স্ট্যাম্প ডিউটি না দেওয়ার অভিযোগে ইতিমধ্যে দুটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। তবে তাতে পার্থ পওয়ারের নাম নেই। জানা গিয়েছে, আমেডিয়া এন্টারপ্রাইজ-এ পার্থের শেয়ার রয়েছে ৯৯ শতাংশ, বাকি এক শতাংশ শেয়ার রয়েছে তাঁর ব্যবসায়িক সহযোগী দিগ্বিজয় পাটিলের নামে। এফআইআরে দিগ্বিজয়ের নাম থাকলেও পার্থের নাম অনুপস্থিত—এই নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা।  এফআইআরে আরও নাম রয়েছে বিক্রেতাদের হয়ে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি নেওয়া শীতল তেজওয়ানি এবং রাজস্ব দফতরের দুই আধিকারিকের।বিতর্কের জেরে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীস জানিয়েছেন, এই ঘটনায় কাউকেই রেয়াত করা হবে না। তবে বিরোধীদের অভিযোগ নিয়ে তিনি বলেন, যাঁরা জানেনই না এফআইআর কীভাবে রুজু হয়, তাঁরাই ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন। সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ—সকলের বিরুদ্ধেই মামলা দায়ের করা হয়েছে।অন্যদিকে, অজিত পওয়ারের দাবি, তাঁর ছেলে জানতেনই না যে সংস্থাটি যে জমি কিনেছে তা সরকারি সম্পত্তি। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলছে—উপমুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের সংস্থার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ কতটা নিরপেক্ষভাবে হবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।