ad
ad

Breaking News

Abhishek Banerjee

সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা অভিষেকের! আপাতত ঝুলেই রইল চোখের চিকিৎসায় আমেরিকা যাত্রা

অভিষেক বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে পারবেন কি না, সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে হাই কোর্ট

Abhishek Banerjee Supreme Court Relief Denied in Foreign

চিত্র- AI

AK Bangla Desk: চোখের চিকিৎসার জন্য আমেরিকা যাওয়ার অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েও আপাতত স্বস্তি পেলেন না কালীঘাট তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আবেদনে সরাসরি হস্তক্ষেপ না করে মামলাটি ফের কলকাতা হাই কোর্টে পাঠিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। অভিষেকের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী গোপাল শংকরনারায়ণ। তবে মামলার বিস্তারিত শুনানিতে না গিয়ে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, কলকাতা হাই কোর্ট যেন এক সপ্তাহের মধ্যে আবেদনটি শুনে নিষ্পত্তি করে।

শীর্ষ আদালতের বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “আমরা হাই কোর্টকে অনুরোধ করব, এক সপ্তাহের মধ্যে মামলাটি শুনে নিষ্পত্তি করা হোক।” ফলে অভিষেক চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে পারবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত এখন কলকাতা হাই কোর্টকেই নিতে হবে। চোখের চিকিৎসার জন্য আমেরিকা যেতে চেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বিদেশযাত্রার সম্ভাব্য তারিখ ছিল ২৯ জুলাই। তবে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বিচারাধীন থাকায় আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশ ছাড়ার সুযোগ নেই। সেই কারণে বিদেশযাত্রার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন তিনি।

গত ২০ জুলাই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি হয়। তখন অভিষেকের বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা করানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। কলকাতায় চোখের চিকিৎসার জন্য একাধিক উন্নত হাসপাতাল থাকা সত্ত্বেও কেন তাঁকে আমেরিকা যেতে হবে, তা জানতে চাওয়া হয়। আদালত আরও জানায়, প্রয়োজনে এসএসকেএম হাসপাতালে অভিষেকের চিকিৎসার জন্য বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের নির্দেশ দেওয়া যেতে পারে। হাই কোর্টের এই অবস্থানকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ।

কিন্তু শীর্ষ আদালত বিদেশযাত্রার বিষয়ে কোনও তাৎক্ষণিক অনুমতি দেয়নি। ফলে অভিষেকের আমেরিকা যাত্রা এখনও অনিশ্চিত রয়ে গেল। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কলকাতা হাই কোর্টে মামলার শুনানি এবং পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক ও আইনি মহলের।