Bangla Jago Desk: মধ্যপ্রদেশের বান্ধবগড় ব্যাঘ্র সংরক্ষণ অভয়ারণ্যে একসঙ্গে মৃত্যু ৭ হাতির। প্রথমে তিনটে হাতিকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। জখম পাঁচটি হাতির চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় চারটি হাতির। দলটিতে মোট ১৩টি হাতি ছিল। বাকিদের খোঁজ চলছে। খাদ্যে বিষক্রিয়া থেকে একসঙ্গে এতগুলি হাতির মৃত্যু বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান বনদফতরের।
একসঙ্গে ৭টি হাতির মৃত্যু। ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের বান্ধবগড় জঙ্গলে। এই ঘটনায় চিন্তিত বন দফতরের পাশাপাশি পশুপ্রেমীরা। জানা গিয়েছে, বান্ধবগড় ব্যাঘ্র সংরক্ষণ অভয়ারণ্যে ৪টি মৃত হাতিকে পড়ে থাকতে দেখেন বনকর্মীরা। আশাপাশে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পড়ে ছিল ৫টি হাতি। দ্রুত সেই হাতিগুলিকে উদ্ধার করে চিকিৎসা শুরু করেন বনকর্মীরা। চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় ৩টি হাতির। কেন একসঙ্গে এতগুলি হাতির মৃত্যু হল, সেই সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। তবে বন দফতরের তরফে প্রাথমিক অনুমান, খাদ্যে কোনও ভাবে বিষক্রিয়া হওয়ায় হাতিগুলির মৃত্যু হয়েছে।
তবে মৃত্যুর আসল কারণ খতিয়ে দেখে হচ্ছে বন দফতরের তরফে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে বন দফতর। জব্বলপুর থেকে পশুচিকিৎসকরা এসে মৃত হাতিগুলির দেহ ময়না তদন্ত করছেন। ওই জঙ্গলে আর কোনও হাতির মৃত্যু হয়েছে কিনা তা জানতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। অন্য হাতিদের ওপর সতর্ক নজর রাখা হচ্ছে। ওই অভয়ারণ্যের বাইরে প্রচুর চাষের জমি রয়েছে। যেখানে কৃষকরা চাষ করেন। ওই কৃষকরা ফসলে কীটনাশক ব্যবহার করেছিলেন। কীনাশকযুক্ত ফসল খেয়ে হাতিগুলির মৃত্যু হয়েছে কিনা, তা দেখা হচ্ছে।
চলতি বছরের আগস্ট মাসে এই বান্ধবগড়ে হাতি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। যা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছিল। সেই ঘটনার দু’মাসের মধ্যে ফের একসঙ্গে এতগুলি হাতির মৃত্যু আবার বিরাট বড় প্রশ্ন উস্কে দিল। পশুপ্রেমীদের তরফে বলা হচ্ছে, বন দফতরের তরফে কড়া নজরদারি চালানো হলে এই ঘটনা ঘটত না। জঙ্গল ছেড়ে যখন হাতির দল লোকালয়ে চলে আসে তখন সেই দলের ওপর নজরদারি চালানো উচিত। তা হলে কীটনাশক যুক্ত ফসল খাওয়ার সুযোগ থাকে না। এমন হলে হয়তো আটকানো যেত হাতি-মৃত্যুর ঘটনা।