চিত্র: প্রতীকী
Bangla Jago Desk: মৌ বসু: শীতকাল হল ত্বকের জন্য কঠিন সময়। শীতের মরসুমে ঠান্ডা আবহাওয়ায় ত্বক রুক্ষ, শুষ্ক ও মলিন হয়ে পড়ে। ঠান্ডা আবহাওয়ায় ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে যায়। তাই শীতে ত্বকে আমন্ড অয়েল ও অলিভ অয়েল লাগানো দরকার। তবে আমন্ড অয়েল হালকা। ত্বকের ভেতরে ভালো ভাবে শুষে নিয়ে ঢুকে যায়। অলিভ অয়েল আমন্ড অয়েলের তুলনায় একটু ভারী। তবে প্রচণ্ড শীতে রুক্ষ ও শুষ্ক আবহাওয়ায় এই অলিভ অয়েল ত্বকে ভালো ভাবে মিশে গিয়ে ত্বকের স্বাভাবিক জেল্লা ও আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনে।
কেন লাগাবেন আমন্ড অয়েল
ভিটামিন ই, ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ আমন্ড অয়েল লাগালে ত্বক নরম ও মসৃণ হয়। ত্বকের ফোলা ভাব কমায় ও ডার্ক সার্কেল দূর করে স্পর্শকাতর ত্বকে। হালকা তেল ভালো ভাবে ত্বকে মিশে গিয়ে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখে।
কেন লাগাবেন অলিভ অয়েল
প্রচণ্ড শীতে ঠান্ডায় ত্বকের রুক্ষ ও শুষ্ক ভাব দূর করতে অলিভ অয়েল কার্যকরী। ত্বকের ভেতরে শুষে নিয়ে ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে ভালো ভাবে। আমন্ড অয়েলের চেয়ে ভারী অলিভ অয়েল। ত্বকের সুরক্ষা জোগায় অলিভ অয়েল। কনুই, পায়ের পাতা ও হাঁটুতে লাগাবেন। অলিভ অয়েলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ত্বকের ফাইন লাইনস দূর করে। ত্বককে নরম ও মসৃণ করে। তবে তৈলাক্ত ত্বকের জন্য এই তেল বেশি পরিমাণে লাগানো উচিত নয়। ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়।
ত্বকের পাশাপাশি চুলের জন্যও দারুণ উপকারী অলিভ অয়েল
১) মাথার তালু শুষ্ক হয়ে গেলে ও মরা কোষ ভর্তি হয়ে গেলে খুশকির সমস্যা হয়। অলিভ অয়েল ও লেবুর রস মিশিয়ে মাথার তালুতে লাগালে ছত্রাকের সংক্রমণ দূর হয়। খুশকির সমস্যা দূর হয়। অ্যাসিডিক নেচারের জন্য বেশি লেবুর রস মেশাবেন না।
২) চুলের ডগা ফাটার সমস্যার জন্য চুল পাতলা হয়ে যায়। চুল ধোয়ার পর ভিজে চুলে অলিভ অয়েল লাগান। এতে চুল মজবুত হয়। চুল পড়া আটকায়।
৩) মাথার তালু শুষ্ক হয়ে গেলে অলিভ অয়েল লাগালে স্বাভাবিক আর্দ্রতা ফিরে আসে। চুলের গোড়া মজবুত হয়।