ad
ad

Breaking News

Skin Care

ফেসওয়াশ ব্যবহার করেন! নিরাপদ তো?

ই বিশেষ অ্যাসিড ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখে। ত্বক টানটান রাখে।

Use face wash! Is it safe?

গ্রাফিক্স: নিজস্ব

Bangla Jago Desk: মৌ বসু: অনেক আগের সময় সাবান শুধু গা, হাত, পা নয়, মুখ পরিষ্কার করতেও ব্যবহার করা হত। কিন্তু আধুনিক ট্রেন্ড মেনে বাজারে এখন হরেক রকমের ফেসওয়াশের রমরমা। সাবান দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে এখনও অভ্যস্ত অনেকে। কিন্তু সাবান না ফেসওয়াশ, কী দিয়ে মুখ পরিষ্কার করা নিরাপদ, এই বিতর্কের আবহের মধ্যেই আসুন দেখে নিই ফেসওয়াশ ও সাবানে কোন কোন রকম উপাদান থাকে।

১) সাবান ন্যাচরাল ফ্যাট বা তেল আর অ্যালকালাইন পদার্থ দিয়ে তৈরি হয়। কিন্তু ফেসওয়াশ আরও নরম মাইল্ড উপাদান দিয়ে তৈরি। সাবান ব্যবহারে মুখ থেকে স্বাভাবিক তৈলাক্ত ভাব ও আর্দ্রতা নষ্ট হয়ে যায়। ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যায়। কিন্তু ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে এমনটা হয় না।

২) ত্বকের স্বাভাবিক পিএইচ মাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফেসওয়াশের পিএইচ মাত্রা ৫.৫ এর আশপাশে রাখা হয়। কিন্তু সাবানের পিএইচ মাত্রা অনেক বেশি থাকে। ফেসওয়াশ ত্বকের স্বাভাবিক তৈলাক্ত নরম ভাব বজায় রাখতে সাহায্য করে।

৩) সাবান দিয়ে শুরু পরিষ্কার হয়। ত্বকের সমস্যা মেটে না। ফেসওয়াশে থাকে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, ভিটামিন, ময়েশ্চারাইজার যা ব্রণ, মেচেতা, রুক্ষ শুষ্ক ভাব কমানো, অকালে বুড়িয়ে যাওয়ার মতো ত্বকের যাবতীয় সমস্যা প্রতিরোধ করে।

৪) সাবানে প্রচুর পরিমাণে ল্যাথার বা ফোম থাকে বলে প্রচুর ফেনা হয়। কিন্তু ফেসওয়াশে ল্যাথার কম থাকে বলে ফেনা কম হয়। স্পর্শকাতর ও রুক্ষ শুষ্ক ত্বকে সাবানের বেশি ফেনায় ত্বক বেশি পরিমাণে রুক্ষ শুষ্ক হয়ে যায়। ত্বকের স্বাভাবিক পুষ্টি নষ্ট হয়ে যায়।

৫) দূষণ, ধুলোবালি ত্বকের সেবামের সঙ্গে মিশে গিয়ে ত্বকের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়। ব্রণ, ফুসকুড়ির সমস্যা দেখা যায়। তাই মুখ থেকে মরা কোষ, ধুলোবালি, ময়লা পরিষ্কার করতে ফেসওয়াশ ব্যবহার করা জরুরি।

ফেসওয়াশ কেনার সময় কোন বিষয় মাথায় রাখবেন?

১) ফেসওয়াশ কেনার সময় তাতে দেখে নেবেন hyaluronic acid আছে কিনা। এই বিশেষ অ্যাসিড ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখে। ত্বক টানটান রাখে। অকালে বুড়িয়ে যাওয়া ও বলিরেখা হওয়া আটকায়।

২) রেটিনল হল এক রকমের ভিটামিন এ যা থাকে ফেসওয়াশে। রেটিনল কোলাজেন প্রোটিনের উৎপাদন বাড়ায় ত্বকের অকালে বুড়িয়ে যাওয়া আটকায়। দাগছোপ দূর করে।

৩) ফেসওয়াশে যেন salicylic acid থাকে। এটা হল এক রকমের বিটা হাইড্রোক্সি অ্যাসিড যা ব্রণর সমস্যা দূর করে। ত্বকের বন্ধ ছিদ্রর মুখে খুলে দেয়। ময়লা, ধুলোবালি দূর করে। অ্যান্টি ইনফ্লেমটরি গুণ থাকে বলে ত্বকের লালচে ভাব কমায়।

৪) ত্বকের মালিন্য ভাব কমায় ভিটামিন সি। মেলানিন পিগমেন্টের তারতম্যের জন্য ত্বকে দাগছোপ হয়। ভিটামিন সি দূষণের হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করে। মেলানিন পিগমেন্টের নিঃসরণ কমায়।

৫) গ্লিসারিন ত্বকের স্বাভাবিক জেল্লা ও আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ত্বককে ভেতর থেকে ময়েশ্চারাইজ করে। ব্রণপ্রবণ ত্বকেও ছিদ্র বন্ধ করে না বলে ব্যবহারের উপযোগী।

৬) দূষণের কারণে কোষ নষ্ট হয়ে যায়। ভিটামিন বি১ ও ভিটামিন বি২ সমৃদ্ধ ব্ল্যাক রাইস ফ্রি র্যাডিকেলসের হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করে।