চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: শীতের মরসুম মানেই পিকনিক করা, আর সেই পিকনিক করতে যাবেন কোথায়? ভেবেছেন? পৌঁছে যান লাল পলাশের দেশ পুরুলিয়ায়। যেখানে ভ্রমণের স্বাদ পাওয়ার পাশাপাশি পেয়ে যাবেন পিকনিকের স্বাদও। তাহলে আর দেরি না করে নতুন বছর শুরু করুন পুরুলিয়ায় এসে আনন্দের সঙ্গে পিকনিক করে।
দেখতে দেখতে শেষ হয়ে আসছে ২০২৪ সাল। চোখের পলকে যেন শেষ হয়ে যাচ্ছে এই সালটি। মনে হচ্ছে এইতো ২০২৩ সাল থেকে ২০২৪ সালে পা রেখেছিলাম, সকলে নতুন বছরের শুবেচ্ছা জানিয়েছিলাম, তবে কিভাবে নিমেষের মধ্যে একটা গোটা সাল শেষ হতে চলেছে। তবে সামনের বছর যদি চাইছেন জীবনে কিছু আলাদা করতে তাহলে বছরের প্রথমেই পিকনিক করে আনন্দ করে শুরু করুন বছর টা অর্থাৎ ২০২৫ সাল। ভাবছেন কোথায় যাবেন পিকনিক করতে? পৌঁছে যেতে পারেন লাল মাটি আর পলাশের দেশ পুরুলিয়ায়।
পুরুলিয়াতে এই শীতকালে ভিড় বাড়ে পর্যটকদের। অযোধ্যা পাহাড় থেকে শুরু করে নানা ড্যাম, জলপ্রপাত, গড়পঞ্চকোট , জয়চন্ডি ছাড়াও পুরুলিয়াতে রয়েছে আরও অনেক ভ্রমণের জায়গা। আর সেই ভ্রমণের তালিকায় পিকনিকের জন্য যথেষ্ট জনপ্রিয় নাম রঞ্জনডি ড্যাম। পুরুলিয়ার কাশিপুর থানার অন্তর্গত এই ড্যাম। এই জায়গাকে অনেকে পুরুলিয়ার মিনি সুন্দরবন লেখা রয়েছে। চারিদিকে সবুজের সমাহার।
এখানকার নির্জন শান্ত পরিবেশ মনের সব ব্যথা ভুলিয়ে দেয় নিমেষের মধ্যে। পুরুলিয়া শহর থেকে রঞ্জনডির দূরত্ব ৪৫ কিলোমিটার। রঞ্জনডির নিকটতম রেলস্টেশন হল আদ্রা। আদ্রা স্টেশন থেকে রঞ্জনডির দূরত্ব পড়বে ১৬ কিলোমিটারের মতো। শীতকালে সূর্যের মিঠে রোদ গায়ে মেখে পিকনিক করার মজাই আলাদা। একদিকে ড্যাম, ড্যামের ধারে বসার জায়গাও আছে। ড্যাম পেরিয়ে মাঝে চলে গিয়েছে পাকা রাস্তা আর রাস্তা পেরলেই বিশাল মাঠের মতো এক জায়গা আছে যেখানে পর্যটকরা বন্ধু বান্ধবদের নিয়ে পিকনিক করে থাকে।
ড্যামের চারপাশ ঘেরা রয়েছে জঙ্গলে। আপনি চাইলে এই ড্যামের জলে পা ডুবিয়েও বসতে পারেন ঘণ্টা খানেক। ড্যামের এক দিকে ধাপে ধাপে নেমে গেছে সিঁড়ি। আর সেই সিঁড়ি দিয়ে নামা যায় ড্যাম পর্যন্ত। আপনি চাইলে এই ড্যাম নৌকো করে ঘুরেও দেখতে পারবেন। জলের মধ্যে দিয়ে নানা কাঁটা জাতীয় গাছ ছাড়াও আরও অন্যান্য উদ্ভিদ নজরে পড়ে, যার সঙ্গে মিল পাওয়া যায় সুন্দরবনের সঙ্গে। তাই এই শীতের মরসুমে পিকনিক করতে যাওয়ার জন্য এই জায়গা বেছে নিতেই পারেন।