চিত্র - সংগৃহীত
Bangla Jago Desk : চলছে ফাল্গুন মাস। এই মাসেই রীতিমত গরমে হাঁসফাঁস করতে শুরু করেছে সাধারণ মানুষ। আর সমুদ্র বা জঙ্গল নয়, গরম পড়লেই পর্যটকদের একমাত্র ফেবারিট জায়গা হয় পাহাড়। তবে যাবেন কোথায়? কালিম্পঙে রয়েছে একেবারে অফবিট লোকেশন যেখানে লেকের মধ্যে দেখা যায় কাঞ্চনজঙ্ঘার প্রতিচ্ছবি।
মার্চের শুরুতেই গ্রীষ্মের প্রখর তাপে শরীর রীতিমত হাঁসফাঁস করছে। যত দিন এগবে তাপমাত্রা ততো বৃদ্ধি হবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর এখন থেকেই পূর্বাভাস দিয়েছে চলতি মাসের শেষের দিকে তাপমাত্রা পৌঁছে যাবে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আর এই অবস্থাতে ভ্রমনপিপাসুরা বেরিয়ে পড়েন কোন এক অজানা পাহাড়ের গন্তব্যের খোঁজে। আপনিও কি ঠিক করে রেখেছেন এবারের গরমের মরসুমে কোন পাহাড়ি গন্তব্যে যাবেন? যদি ঠিক না করে থাকেন তাহলে ঘুরে আসতে পারেন মুলখারকা লেকে।
আরও পড়ুন : বাড়ি ফাঁকা পেয়ে নাবালিকা নাতনিকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ দাদুর বিরুদ্ধে
যেখানে প্রকৃতি ধরা দেবে এক অন্য রূপে। গরম আসলেই কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার হিড়িক বাড়ে, আর সেই দেখা যদি হয় লেকের জলে কাঞ্চনজঙ্ঘার প্রতিবিম্ব দেখে তাহলে কেমন হবে? কোন স্বপ্ন দেখাচ্ছি না, এই কথা সত্যি হবে কালিম্পঙে অবস্থিত মুলখারকা হ্রদে গেলে। আর এই হ্রদের পাশেই রয়েছে সিকিম সীমান্ত। এই কারণে আপনি কালিম্পং দিয়েও কিংবা সিকিম দিয়েও পৌঁছে যেতে হবে। যদি চান সিকিম হয়ে মুলখারকা হ্রদে যাবেন তাহলে সেটাও যেতে পারেন তাতে আপনার ট্রেকিং করাও হয়ে যাবে।
এই লেক এখনও খুব বেশি জনপ্রিয়তা অর্জন করেনি, যে কারণে এখনও অক্ষত রয়েছে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। মুলখারকা গ্রামেও বেশি মানুষের বসবাস নেই। শান্ত নিরিবিলি প্রকৃতির মাঝে হ্রদের ধারে বসে শীতল হাওয়ায় গা ভাসাতে বেশ ভালো লাগে। এই লেকের ধারে এক শিব মন্দিরও রয়েছে। এখানকার বাসিন্দাদের কাছে এই মন্দির খুব জাগ্রত। চারপাশে পাহাড়ে ঘেরা সবুজ বন আর মাঝখানে এই লেক, একবার ভাবুন তো! ভাবতে গেলে সেই রুপকথার গল্প মনে পড়ে যাচ্ছে তো? তা স্বাভাবিক। পাশে থাকে এই শিবমন্দিরে বছরের প্রায় সব দিনই পুজো হয়, এমনকি শিব মন্দিরের পুজোকে কেন্দ্র করে এখানে মেলাও বসে। ভাবছেন কিভাবে যাবেন? ট্রেনে করে শিলিগুড়ি পৌঁছে সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে ৫ ঘণ্টা সময় লাগবে এই অফবিট ডেস্টিনেশনে পৌঁছতে।