চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: মেঘ রোদ্দুরের আলো আঁধারি আর পাখির কলরব…..এনিয়েই সাড়ে ৮ হাজার ফুট উঁচুতে রয়েছে লেপচা অধ্যুষিত গ্রাম রিশপ। পাহাড়ের ধাপে ধাপে নানা রকমের ফুলে ঢাকা ছোট্ট সাজানো গোছানো পাহাড়ি গ্রাম রিশপ। পাহাড়ের কোলে ধাপে ধাপে গড়ে ওঠা চাষের ক্ষেত জমি দেখতে বেশ লাগে। রিশপকে ঘিরে আছে কাঞ্চনজঙ্ঘা, কাব্রু, সিনিয়ালচু, পান্ডিম-এর মতো নানান বরফে ঢাকা শৃঙ্গ। সব সময় রিশপে এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা বজায় থাকে। রিশপের পাশাপাশি পর্যটকদের পছন্দের জায়গা হল রায়মাটাং। জঙ্গল, পাহাড়, নদী ও চা বাগানের এক অপূর্ব মেলবন্ধন দেখা যায় রায়মাটাংয়ে এলে। সবুজের সমারোহে ঘেরা ছবির মতো সুন্দর ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম রায়মাটাং।
পাহাড়ি খরস্রোতা নদী রায়মাটাংয়ের নামে গ্রামের নাম। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প লাগোয়া রায়মাটাং নদী পেরিয়ে গ্রামে যেতে হয়। এখানে এলেই উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাবেন পাহাড়ি গ্রামবাসীরা। একটু দূরে রয়েছে ভুটান পাহাড়। মাঝেমধ্যে এখানে হানা দেয় বন্য হাতির দল। গাইডকে সঙ্গে নিয়ে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে জঙ্গল সাফারি করতে পারেন। ওয়াচ টাওয়ার থেকে চারপাশের নিরিবিলি প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করা যায়। ঘুরে আসা যায় বক্সা দুর্গ থেকে। থাকার জন্য রয়েছে হোম স্টে। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে গাড়ি ভাড়া করে কালচিনি হয়ে রায়মাটাং আসা যায়।
রায়মাটাংয়ের মতোই ট্রেক করা যায় রিশপেও। পৌঁছে যাওয়া যায় টিফিনদারা ভিউপয়েন্ট। সান্দাকফুর পর এটি পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ। এখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত ভালো ভাবে দেখা যায়। পাখিপ্রেমীদের স্বর্গরাজ্য হল রিশপ। নেওড়াভ্যালি জাতীয় উদ্যান লাগোয়া রিশপ জঙ্গল দিয়ে ঘেরা। মাঝেমধ্যে সবুজে ছাওয়া উপত্যকায় এসে আটকে পড়ে মেঘ। তখন গোটা উপত্যকা জুড়ে মেঘ-রোদ্দুরের খেলা চলে। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে গাড়ি ভাড়া করে যাওয়া যায় রিশপ। বিভিন্ন মানের ও বাজেটের হোটেল রয়েছে।