ad
ad

Breaking News

Rimbik

ভিড় এড়িয়ে পাহাড়ের শান্তি চান? শীতের ছুটিতে আপনার গন্তব্য হোক অফবিট ‘রিম্বিক’

নিস্তব্ধ পাহাড়, কুয়াশায় ঢাকা পথ, দূরে কাঞ্চনজঙ্ঘা পাহাড়--এসবকিছুর অপূর্ব মেলবন্ধন হল রিম্বিক।

Rimbik: Gateway to Sandakphu & Nature Retreat

চিত্র: সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: শীতে পাহাড়ে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে ভিড়ে ঠাসা দার্জিলিং পাহাড়ে না গিয়ে আপনার গন্তব্য হতে পারে শান্ত নিরিবিলি প্রাকৃতিক পরিবেশ ঘেরা স্বল্প পরিচিত রিম্বিক গ্রাম। নিস্তব্ধ পাহাড়, কুয়াশায় ঢাকা পথ, দূরে কাঞ্চনজঙ্ঘা পাহাড়–এসবকিছুর অপূর্ব মেলবন্ধন হল রিম্বিক। হিমালয়ের কোলে ছোট্ট পাহাড়ি নির্জন গ্রাম হল রিম্বিক। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭৫০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত রিম্বিক গ্রাম সান্দাকফু ট্রেকিং রুটের শেষ বিন্দু হিসাবে পরিচিত। ট্রেকারদের কাছে রিম্বিক গ্রাম হল ‘গেটওয়ে টু সান্দাকফু’। শহুরে নাগরিক কোলাহল থেকে দূরে, পাইন, ওকের ঘন সবুজ জঙ্গল, কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য, শেরপা, নেপালি সংস্কৃতির মিশ্রণে রিম্বিক গ্রাম হল অফবিট পর্যটন কেন্দ্র (Rimbik)।

রিম্বিক মূলত সান্দাকফু-ফালুট ট্রেকিং রুটের বেস ক্যাম্প হিসাবে পরিচিত। ট্রেকিং না করলেও প্রকৃতির টানে যাওয়া যায় রিম্বিক। চারপাশে ঘন সবুজ জঙ্গল, পাহাড়ি নদী রাম্মাম, পাহাড়ের কোলে কাঠের তৈরি বাড়ি, শীতল হাওয়া–সব মিলিয়ে রিম্বিক মানে মানসিক শান্তি। কাঞ্চনজঙ্ঘাকে সবচেয়ে ভালো করে দেখা যায়। পরিষ্কার মেঘমুক্ত আকাশ হলে পাহাড় চূড়ায় সূর্যের আলো পড়ার দৃশ্য দেখলে জীবনভর মনে থেকে যাবে। পায়ে হেঁটে ঘোরা যায় গ্রাম। চাক্ষুষ করা যায় রিম্বিকের স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনযাপন। এছাড়াও ঘুরে আসা যায় রিম্বিক মনেস্ট্রি। কাছে রয়েছে শ্রীখোলা নদী। ওপরে পুরোনো ঝুলন্ত সেতু। চারপাশের নিরিবিলি পরিবেশ দেখলে মন ভরে যায় শান্তিতে। পাহাড়ি নদী রাম্মামের পাশে বসে থাকলে কোথা দিয়ে যে সময় কেটে যায় মনেই থাকবে না। এছাড়াও প্রকৃতিপ্রেমীদের স্বর্গ হল সিঙ্গালিলা অভয়ারণ্য (Rimbik)।

বেড়াতে যাওয়ার আদর্শ সময়

অক্টোবর থেকে এপ্রিল হল বেড়ানোর আদর্শ সময়। ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে প্রবল ঠান্ডা। হালকা তুষারপাত হয়। মার্চ ও এপ্রিলে রডোডেনড্রন ও বুনো ফুলে ভরে যায় চারপাশ। কলকাতা থেকে ট্রেন, সড়ক বা বিমান পথে নিউ জলপাইগুড়ি বা শিলিগুড়ি পৌঁছে সেখান থেকে গাড়িতে চেপে মানেভঞ্জন হয়ে রিম্বিক। মানেভঞ্জন থেকে রিম্বিকের দূরত্ব ২১ কিলোমিটার। সময় লাগে দেড় থেকে ২ ঘণ্টা। চারপাশে জঙ্গল, পাহাড় আর মেঘের লুকোচুরি, এই পথের আকর্ষণ। থাকার জন্য বেশ কিছু পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হোম স্টে আর লজ রয়েছে। ঘরোয়া খাবার পাওয়া যায় (Rimbik)।