চিত্র - সংগৃহীত
Bangla Jago Desk :মার্চের প্রথম থেকেই গরমের দাবদাহে পুড়ছে বাংলা। দিন যত এগোচ্ছে, ততো গরমের দাপট বেড়েই চলেছে। শহরবাসীর মনে এখন একটাই প্রশ্ন, আর কত পড়বে গরম? এটাই শুরু এখন থেকেই যেন হাঁসফাঁস করার উপক্রম। তবে গরম গেলেই মন পড়ে থাকে পাহাড়ের দিকে। বাঙালিদের কাছে কাছাকাছি পাহাড়ে যাওয়া মানেই দার্জিলিং কিংবা কালিম্পং, দার্জিলিং টা এখন বেশ ঘিঞ্জি, তাই যেতে হলে কালিম্পংটাকেই বেঁছে নেন পর্যটকেরা। কিন্তু কালিম্পঙের কোথায় যাবেন? পৌঁছে যান সেভেন্থ ভিউ পয়েন্টে।
কি আছে সেখানে দেখার? বলতে কি নেই সেখানে দেখার। প্রকৃতি তার সবটুকু দিয়ে সাজিয়ে তুলেছে এই জায়গাটিকে। পাহাড়, সবুজ ঘেরা প্রান্তর, নীচ দিয়ে বয়ে চলেছে পাহাড়ি নদী, আর কানে ভেসে আসছে তার বয়ে যাওয়ার শব্দ। এক ঝলকেই দেখে মনে হবে জেগে জেগে হয়তো কোন নতুন স্বপ্ন বুনছেন আপনি। এই সেভেন্থ মাইল ভিউ পয়েন্ট কালিম্পং থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। শান্ত নিরিবিলি, সারা কোলাহল পছন্দ করেন না তাদের কাছে এই জায়গা হতে পারে স্বর্গ স্বরূপ। নীচ দিয়েই বইয়ে চলেছে তিস্তা নদী। সেই নদীর গর্জন শুনতে শুনতে পাহাড়ের ঢালে পা ঝুলিয়ে বসে থাকা, বড়ই ভালো লাগবে আপনার। আর সাথে যদি নেন দার্জিলিং টি, তাহলে তো পুরো জমে ক্ষীর।
আপনি চাইলে এই ভিউ পয়েন্ট থেকে ভোরের সূর্যোদয়, এবং বিকেলের সূর্যাস্ত সবটাই উপভোগ করতে পারবেন এখান থেকে। যারা জীবনে অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ করেন তারা এখানে এসে হাইকিং ও করতে পারেন। আবার অনেকে এখানে এসে পিকনিকও করে থাকেন। এই ভিউ পয়েন্ট থেকে দেখা যায় তিস্তা নদী এবং রঙ্গীত উপত্যকার অসাধারণ দৃশ্য। এই ভিউ পয়েন্ট দেখতে হলে আপনাকে তিস্তা বাজার থেকে একটি ছোট্ট ট্রেক করে পৌঁছে যেতে হবে। রয়েছে বিস্তীর্ণ চা বাগান, যে বাগান থেকে আপনি ইচ্ছে করলে চা পাতা তোলার আকাঙ্ক্ষাটাও পূরণ করতে পারবেন। তাহলে আর দেরি নে করে এই গরমেই হাতে ২ থেকে ৩ দিন সময় নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন কালিম্পঙের সেভেন্থ মাইল ভিউ পয়েন্ট ভ্রমণে।