চিত্রঃ নিজস্ব
Bangla Jago Desk: নেই পর্যটকদের অতিরিক্ত ভিড়ভাট্টা, নেই অযথা নাগরিক কোলাহল। আছে নির্মল প্রাকৃতিক পরিবেশে দুদণ্ড শান্তিতে কাটানোর অবকাশের সুযোগ। উত্তরবঙ্গর ডুয়ার্সের একেবারে অফবিট পর্যটন কেন্দ্র হল মাগুরমারি ও সিমলাবাড়ি। ডুয়ার্সের চা বাগান ও জঙ্গল ঘেরা পরিবেশে রয়েছে তুলনামূলক ভাবে অপরিচিত পর্যটন কেন্দ্র মাগুরমারি। ওরাঁওদের বাস এই গ্রামে। মেরেকেটে ১২০ ঘর ওরাঁও সম্প্রদায়ের মানুষজন বাস করেন। এখানে আসলে দেখা মেলে অনাবিল প্রাকৃতিক পরিবেশ, চারপাশে সবুজের সমারোহ। খানিকটা গ্রাম্য ও আরণ্যক পরিবেশ। কাঠামবাড়ি জঙ্গল ঘেরা মাগুরমারি গ্রামে রয়েছে বেশ কয়েকটি বিশাল পুকুর। প্রচুর পরিমাণে মাগুর মাছ মেলে বলে গ্রামের নাম মাগুরমারি। জঙ্গল ঘেরা গ্রাম মাগুরমারিতে আসলে দেখা মিলবে নানান প্রজাতির পাখি ও বন্যপ্রাণীর। মাগুরমারি থেকে ঘুরে আসা যায় ডুয়ার্সের পশ্চিম দিকে অবস্থিত বৈকুন্ঠপুর জঙ্গলে। প্রচুর হাতির বাস এই জঙ্গলে। বৈকুণ্ঠপুর জঙ্গলের কাছাকাছি তিস্তা নদীর তীরে অবস্থিত গজলডোবা। জঙ্গল, নদী ও পাহাড় ঘেরা গজলডোবা হল পাখিদের স্বর্গরাজ্য।
মাগুরমারি থেকে ঘুরে আসা যায় ভবানী পাঠকের স্মৃতিবিজড়িত বিখ্যাত কালী মন্দির ও বোধাগঞ্জর ভ্রামরী দেবীর মন্দির। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গর চিলাপাতার জঙ্গলের পাশে রয়েছে রাভা জনজাতি অধ্যুষিত গ্রাম সিমলাবাড়ি। কোদালবস্তি গেট পেরিয়ে ডানদিকে পড়ে সবুজে ছাওয়া জঙ্গল ঘেরা সিমলাবাড়ি গ্রাম। একদিকে রয়েছে চিলাপাতার জঙ্গল, অন্যদিকে সুদৃশ্য গির্জা আর গ্রামের এক পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে তিস্তা নদী।
কীভাবে যাবেন মাগুরমারি ও সিমলাবাড়ি?
হাসিমারা স্টেশন থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সিমলাবাড়ি। গাড়ি ভাড়া করে আসা যায়। এছাড়াও হাসিমারা স্টেশন থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে সোনাপুরে এসে সেখান থেকে অটোতে আসা যায় সিমলাবাড়ি। মাগুরমারি গ্রামে যেতে হলে নামতে হবে ওদলাবাড়ি স্টেশন। ২২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মাগুরমারি। শিলিগুড়ি থেকে গাড়ি ভাড়া করে আসা যায়। মাগুরমারিতে রয়েছে হোম স্টে।