চিত্র- সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: পাহাড়ের রানি দার্জিলিংয়ের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নানান মণিমুক্তো। দিনে দিনে এসব অফবিট পর্যটন কেন্দ্র পর্যটক মহলে দারুণ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। দার্জিলিংয়ের সিলারিগাঁও, ইচ্ছেগাঁওয়ের নাম নিশ্চয়ই শুনেছেন। এবার প্রকৃতির সান্নিধ্যে দুদণ্ড শান্তিতে কাটাতে চাইলে আপনার গন্তব্য হতে পারে ‘বিইস গাঁও’। ইংরেজিতে নাম হল Bees Gaon। অর্থাৎ মৌমাছিদের গ্রাম।
দার্জিলিং পাহাড়ের থেকে দূরত্ব মাত্র ৩০ কিলোমিটার। ঘন পাইন বনের মধ্যে অবস্থিত বিইস গাঁওয়ের চারপাশে চা বাগান ও শুধুই সবুজের সমারোহ। তাকদার খুব কাছে অবস্থিত এই শান্ত নিরিবিলি পাহাড়ি গ্রাম। হাঁটাপথে ঘুরে দেখা যায় ফুলের নার্সারিগুলো। মৌমাছিদের গ্রাম বা বিইস গাঁওয়ের মূল আকর্ষণ হল শান্ত নিরিবিলি প্রাকৃতিক পরিবেশ ও ঘন সবুজ পাইনের বনাঞ্চল। এখানকার মূল আকর্ষণ হল ব্রিটিশ আমলের হেরিটেজ বাংলো। হাঁটাপথে কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত লামাহাট্টা নেচার পার্ক ঘুরে আসতে পারেন। লামহাট্টা থেকে তিনচুলের মধ্যে দিয়ে হেঁটে ঘুরে দেখতে পারেন বিইস গাঁও। এছাড়াও ঘুরে দেখা যায় চা বাগান, মনেস্ট্রি, চার্চ ও তিব্বতীয় মেডিসিন স্কুলগুলো।
তিস্তা ভ্যালি ভিউ পয়েন্ট থেকে তিস্তা নদী ও কাঞ্চনজঙ্ঘা পাহাড়ের অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। বিইস গাঁওতে আসলে নানান প্রজাতির প্রজাপতি ও হিমালয়ের পাখিদের দেখা মেলে। সারা বছর বিইস গাঁওতে আসা যায়। দার্জিলিং, নিউ জলপাইগুড়ি, বাগডোগরা বিমানবন্দর বা শিলিগুড়ি থেকে গাড়ি ভাড়া করে পৌঁছে যাওয়া যায় বিইস গাঁও। থাকার জন্য রয়েছে হোম স্টে।