চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: বর্ষায় জঙ্গল বা পাহাড়ে অনেকেই বেড়াতে যান। বর্ষায় গাছপালা, মাঠঘাট, পাহাড় সব সবুজ হয়ে ওঠে। নদী, পুকুর, ঝর্ণার জল টইটম্বুর হয়ে ওঠে। কিন্তু দার্জিলিং, ডুয়ার্স একঘেয়ে হয়ে গেছে? বর্ষার মরসুমে ২-৩ দিনের ছুটিতে কোথাও ঘুরতে যেতে চাইছেন? আপনার গন্তব্য হতে পারে বাঁকুড়ার ২ হিডেন জেম হিসাবে পরিচিত বাঁশপাহাড়ি ও বারোঘুটু গ্রাম।
বাঁশপাহাড়ি গ্রামে আসলে মনে হবে মিনি উটি। ছোট্ট জনপদ বাঁশপাহাড়িতে জঙ্গলের ভেতরে রয়েছে সুন্দর ও ছিমছাম হোম স্টে। শাল, মহুয়ার জঙ্গল ঘেরা শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ এখানকার মূল আকর্ষণ। বিষ্ণুপুর থেকে গাড়ি ভাড়া করে সিমলাপাল ও খাতরা হয়ে বাঁশপাহাড়ি যেতে পারেন।
বাঁশপাহাড়ির মতোই লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা ভার্জিন পর্যটন কেন্দ্র বারোঘুটু। এখানকার সবুজ টিলা ও জলাধার মুগ্ধ করবেই। এখান থেকে আপনি কংসাবতী ও কুমারী নদীর অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে। বাঁকুড়া শহর থেকে বারোঘুটুর দূরত্ব প্রায় ৫৫ কিলোমিটার। গাড়িতে যেতে সময় লাগে প্রায় দেড় ঘণ্টা। সবুজ গাছগাছালি ছাওয়া যাতায়াতের পথ পাড়ি দিতে কোথা দিয়ে যে সময় চলে যায় বুঝতে পারবেন না।
বাঁকুড়ার স্থানীয় ভাষায় ঘুটু শব্দর অর্থ পাহাড়। বলা হয়, এই জায়গায় নাকি ১২টা পাহাড় রয়েছে। কচ্ছপ আকৃতির পাহাড়ের নাম ‘মশক’। পাহাড়ের ওপর গাছগাছালিতে রয়েছে নানান প্রজাতির পাখিদের আস্তানা। প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য আদর্শ ঠিকানা হল বারোঘুটু। এখান থেকে ঘুরে দেখা যায় পশ্চিমবঙ্গর একমাত্র এক পাথরে তৈরি পাহাড়, যার নাম সোনাপাহাড়। বাঁকুড়া শহর, মুকুটমণিপুর ও বিষ্ণুপুরী থেকে গাড়ি ভাড়া করে ঘুরে আসা যায় বারোঘুটু।