Bangla Jago Desk, দেবরাজ হালদার : বাঙালি নারীর জীবনে শাড়ির আলাদা আকর্ষণ রয়েছে। রূপের বাহার বাড়ানোর জন্য বেশিরভাগ নারীই ট্রেন্ডি শাড়ি পরেন। নিজেকে সাজিয়ে তুলতে বা অপরূপা করে তুলতে শাড়ির কোনও বিকল্প নেই।
নারীদের জৌলুস বাড়াতে বা জীবনছন্দকে রঙিন করে তুলতে তাই বুটিকের শাড়ির কদর বাড়ছে। সৌন্দর্যের মতোই আরাম দায়ক শাড়ি হিসাবে আরসি -র হ্যান্ডলুম শাড়ির জুড়ি মেলা ভার! দাবি আরশির কর্ণধারের।বুটিকের জগতে ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই আরশি ব্রান্ড। তাঁদের ডিজাইনের রয়েছে নানা প্যাটার্ন,যা সত্যিই মনখুশ করে দেয়। উদ্যোগীরা মনে করছেন, পুজোয় মেতে ওঠার ব্যস্ততার মাঝে এই চিরাচরিত শাড়ির রং বাহার আলাদা মাত্রা দেবে।
খুব সহজে এবং তাড়াতাড়ি শাড়ি পরে ফেলা যায়, তেমনই তা সাজে আনে এই শাড়ি এক অন্য মাত্রা আনে। আর মাত্র পুজোর কয়েক দিন বাকি । তাই তার আগে কোন কোন শাড়ি রয়েছে এ বছরের ট্রেন্ডে,তা ক্রেতাদের দরবারে তুলে ধরছেন বিক্রেতারা। উৎসবের দিনে সাবেক সাজে ঢাকাই জামদানিরই সব থেকে বেশি চাহিদা থাকে। বিশেষত, অষ্টমীর সকালে লাল-সাদা জামদানিতে অঞ্জলি দেওয়ার স্বাদই আলাদা!ঐতিহ্য এবং আধুনিকতার মিশেলে সিল্কের নিপুণ বুনন তাদের শাড়ির কালেকশন কে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
শৌখিন শাড়ীর জগতে কাতান সিল্কের তুলনা নেই। সূক্ষ্ম ডিজাইন এবং নরম টেক্সচারের জন্য এই শাড়ি সুপরিচিত, যা পুজোর সাজে এক নতুনত্ব যোগ করবেই বলে বুটিকের কর্ণধার মনে করছেন।একইসঙ্গে বুটিকের কারবারে হাত পাকানো এই ব্যবসায়ী বলছেন, দুর্গাপুজোর উজ্জ্বলতায় চান্দেরি শাড়ি আরও বেশি দ্যুতি ও নজরকাড়া আমেজ আনে। এই শাড়ির বিশেষত্ব হল, এটি এতই হালকা যে আপনি দিনভর পুজো উপভোগ করতে কোন অসুবিধাই নেই ।