চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: ফুল ফর্মে ব্যাটিং শুরু করে দিয়েছে শীত। শীতকালে ডিহাইড্রেশনের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেড়ে যায় গরমকালের তুলনায়। তাই শীতে শরীর উষ্ণ আর আর্দ্র রাখতে অনেক বেশি কার্যকর হল জল। অনেকেরই ধারণা, গরমকালে ঘাম ঝরে যায় বলে বেশি করে জল খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। শীতে হয়ত ঘাম হয় না কিন্তু বাতাস শুষ্ক হয়ে যায় বলে শরীরের আর্দ্রতা কমে যায়। তাই শীতে নিয়মিত জল খেলে ত্বক আর্দ্র থাকে (Winter Skincare)।
শীতে আমাদের জলের তেষ্টা পায় না বলে আমরা ডিহাইড্রেশন বা জল শূন্যতা অনুভব করতে পারি না। খাবার ভালো ভাবে হজম করার জন্য প্রচুর পরিমাণে জল খান। নিয়মিত জল খেলে পেট ভরা থাকে। ওজন বাড়া বা কমা আটকায়। শরীরকে ঠিকমতো পরিচালনার জন্য নিয়মিত ও দৈনিক চাহিদা অনুযায়ী জল খেতে হবে।
শীতে বাতাস শুষ্ক থাকার কারণে আমাদের শরীরের বেশি আর্দ্রতার বা তরল পদার্থের প্রয়োজন হয়। জলের পাশাপাশি, গরম চা বা কফি, স্যুপ এক্ষেত্রে সমান ভাবে সাহায্য করতে পারে। শরীরে আর্দ্রতা কমে গেলে ডিহাইড্রেশন হাইপোথার্মিয়া হতে পারে। শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ করে কমে যায়। এমন অবস্থায় শরীর তাপ উৎপাদন করার বদলে তাপ হারাতে শুরু করে। ডিহাইড্রেশন হাইপোথার্মিয়ায় শরীরে জলের জোগান কমে গেলে রক্তের পরিমাণের ওপর প্রভাব পড়ে। কমে যায় রক্ত চলাচল। এক্ষেত্রে জলই দিতে পারে একমাত্র উপশম (Winter Skincare)।
শীতের শাকসবজি দিয়ে চুল ও ত্বকের পরিচর্যা
বিভিন্ন আবহাওয়ায় সুস্থ থাকতে ও উজ্জ্বল ত্বক পেতে প্রকৃতি তার সম্ভারে নানান রকম শাকসবজি আর ফলমূল রেখেছে। জল খাওয়ার পাশাপাশি শীতে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বক পেতে কোন কোন শাকসবজি খাবেন ও চুল আর ত্বকের পরিচর্যায় ব্যবহার করবেন
ভিটামিন এ-তে সমৃদ্ধ গাজর শীতকালে শুষ্ক ত্বকের জন্য দারুণ উপকারী। শুষ্ক, স্পর্শকাতর ত্বকে উজ্জ্বল আর মসৃণ করতে গাজরের জুড়ি মেলা ভার। অল্প গরম জলে গাজর কুড়িয়ে নিয়ে ফোটানোর পর তা ফেস মাস্ক হিসাবে ব্যবহার করা যায়। অল্প কিছুক্ষণ মুখে, হাতে, পায়ে লাগিয়ে রেখে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।
বাঁধাকপিতে আছে প্রচুর পরিমাণে দরকারি খনিজ পদার্থ আছে যা ত্বকের জন্য দারুণ উপকারী। বেশি পরিমাণে ভিটামিন আছে বলে ত্বকের জন্য বাঁধাকপি দারুণ উপকারী (Winter Skincare)।
ভিটামিন এ, সি, ই আর কে ও বিভিন্ন রকমের খনিজ পদার্থে সমৃদ্ধ পালং শাক ত্বকের জন্য খুব উপকারী। খাবার হিসাবেও খাওয়া যায় পালং শাক আবার ত্বকে সরাসরি লাগানো যায় পালংশাক। ২০ মিনিট মুখে মাস্ক হিসাবে পালংশাক বেটে লাগালে ব্রণর সমস্যা দূর হয়, কমে তৈলাক্ত ভাব।
শীতকালে প্রচুর লেটুসপাতা পাওয়া যায়। ভিটামিন এ, সি, ই, ফোলেট আর দস্তাতে ভরপুর লেটুসপাতা ত্বক আর চুলের জন্য খুব উপকারী। চুলের অকালপক্কতা রোধ করে লেটুসপাতা। ত্বকে রক্ত চলাচল ভালো করে ঔজ্জ্বল্য বাড়ায় লেটুসপাতা।
টমেটোতে লাইকোপিন নামে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে বলে ত্বকের অকালে বুড়িয়ে যাওয়া আটকায়। টমেটোর পাল্প বা জ্যুস তৈলাক্ত ভাব কমায়। ত্বক কালো হয়ে যাওয়া আটকায় টমেটো (Winter Skincare)।