চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: শীতকাল এক বিশেষ সমস্যা নিয়ে আসে প্রত্যেক মানুষের জন্য। শীতের সময় ঠান্ডা রুক্ষ শুষ্ক পরিবেশে অনেকেই স্নান করতে চান না। কিন্তু শীতে কি রোজ স্নান করা দরকার? প্রচণ্ড ঠান্ডা জলে স্নান করলে সর্দি কাশি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষ করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে। বিশেষ করে বয়স্কদের রক্তচাপের সমস্যা থাকে। দীর্ঘ সময় ধরে জল ঘাঁটাঘাঁটি করলে ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যায় (Winter Bathing Tips)।
University of Utah-র গবেষকদের করা গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত জল ঘাঁটাঘাঁটি করলে ত্বকে থাকা ভালো ব্যাক্টেরিয়া, ভাইরাস, পরজীবি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। হজমে সমস্যা দেখা যায়। হৃদযন্ত্রর সমস্যা দেখা যায়। বয়স, শারীরিক সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে শীতে রোজ স্নান করা দরকার কিনা। ঈষদুষ্ণ গরম জলে স্নান করলে শরীর থেকে ধুলোবালি, ময়লা পরিষ্কার হয়। তেমনই শরীর গরম থাকে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। সকালে স্নান করলে লেথার্জি চলে যায়। শরীর তরতাজা চনমনে লাগে।
শীতে ঠান্ডা না ঈষদুষ্ণ গরম জল, কীসে স্নান করলে মিলবে উপকার
শীতের বাতাসে আর্দ্রতা কমে যায়। রুক্ষ ও শুষ্ক পরিবেশের জন্য ত্বক ও চুলও রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যায়। শীতের সকালে ঈষদুষ্ণ গরম জলে স্নান করলে শরীর ও মন মেজাজ তরতাজা চনমনে লাগে। রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। পেশি নরম হয়ে যায়। আবার শীতের রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে স্নান করলে রিল্যাক্স লাগে। ময়লা পরিষ্কার হয়। ক্লান্ত পেশি নরম ও রিল্যাক্স হয়। মানসিক উদ্বেগ দূর হয়। ঘুমোতে সাহায্য করে (Winter Bathing Tips)।
শীতে বেশি পরিমাণ গরম জলে স্নান করলে ত্বকের স্বাভাবিক তৈলাক্ত কমে যায়। ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যায়। কম ঈষদুষ্ণ গরম জলে স্নান করলে ত্বকের স্বাভাবিক তৈলাক্ত ভাব ও আর্দ্রতা বজায় থাকে। রাতে স্নান করলে ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগান। শীতের সময় ঠান্ডা রুক্ষ ও শুষ্ক বাতাসের জেরে চুলও রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যায়। চুলে জট পড়ে যায়। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে স্নান করলে ভালো করে চুল শুকোবেন না হলে ভেজা চুলের জন্য চুলের গোড়া নরম হয়ে যায়। চুল পড়তে শুরু করে (Winter Bathing Tips)।