ad
ad

Breaking News

Tamarind Skincare

Tamarind Skincare: তেঁতুলের ছোঁয়া আপনার ত্বক হবে ঝকঝকে ও উজ্জ্বল

ভিটামিন, খনিজ পদার্থ এবং ফাইবারে সমৃদ্ধ তেঁতুলই একমাত্র ফল যেখানে কোনো ফ্যাট নেই আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার।

Tamarind Skincare: Secret to Glowing and Radiant Skin Naturally

গ্রাফিক্স: নিজস্ব

Bangla Jago Desk: ডাল হোক কিংবা সবজির তরকারি, রান্নায় টক স্বাদ আনতে জুড়ি মেলা ভার তেঁতুলের (Tamarind Skincare)। তেঁতুল জলের টক স্বাদ ছাড়া অসম্পূর্ণ ফুচকা বা দইবড়া। শুধু রান্নার স্বাদ বাড়ানোই নয় অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর তেঁতুল। ভিটামিন, খনিজ পদার্থ এবং ফাইবারে সমৃদ্ধ তেঁতুলই একমাত্র ফল যেখানে কোন ফ্যাট নেই আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার।

[আরও পড়ুন: Leo Messi: মেসির ম্যাজিক! এমএলএস-এ টানা পাঁচ ম্যাচে জোড়া গোলের নজির]

ত্বকের পরিচর্যায় কীভাবে ব্যবহার করবেন তেঁতুল

এক চামচ তেঁতুলের ক্লাথ, এক চামচ টক দই ও এক চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগান। তেঁতুলের ক্লাথে রয়েছে আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড বা এএইচএ। ত্বকের মরা কোষ দূর করে তেঁতুলের ক্লাথ। তেঁতুলের ক্লাথ এক চামচ, ২ টেবিল চামচ চিনি ও এক চামচ নারকেল তেল ও এক চামচ মধু মিশিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগান। তেঁতুলের স্ক্রাব ত্বকের ছিদ্র খুলে দেয়, অকালে বুড়িয়ে যাওয়া আটকায়, দাগছোপ দূর করে ত্বককে ঝকঝকে তকতকে উজ্জ্বল করে। তেঁতুল ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ত্বকের ওয়াস্কিং করার পর কখনো তেঁতুল লাগাবেন না। কারণ, তেঁতুলের ক্লাথে থাকা অ্যাসিড ত্বকে চুলকানি তৈরি করে। স্পর্শকাতর ত্বকে সরাসরি তেঁতুলের ক্লাথ লাগাবেন না।

তেঁতুলের রস ত্বকের রুক্ষ ও শুষ্ক ভাব দূর করে। ত্বকের টানটান ভাব দূর করে। তেঁতুলের ক্লাথে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স যা ত্বকের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোলাজেন প্রোটিনের নিঃসরণ বাড়ায়। যা ত্বককে ক্ষতিকর ফ্রি র্যাডিকেলসের হাত থেকে রক্ষা করে। অ্যান্টি ইনফ্লেমটরি গুণ আছে বলে তেঁতুল ত্বকের সমস্যা দূর করে। তেঁতুলের রসে পলিফেনল থাকে বলে তা ত্বকের ফোলা ভাব দূর করে। রাসায়নিক বা সূর্যের আলোয় পুড়ে যাওয়া লালচে ত্বকের সমস্যা দূর করে।

[আরও পড়ুন: Marathi: মারাঠি না বলায় অটোচালককে মার, ফের বিতর্কে শিবসেনা]

কতটা উপকারী তেঁতুল

তেঁতুলে আছে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভনয়েডস, পলিফেনলস যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় তেঁতুল। তেঁতুলে থাকা আলফা-অ্যামিলোজ নামে অ্যাক্টিভ পদার্থ রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী তেঁতুল। তেঁতুলে থাকা পলিফেনোলিক কম্পাউন্ড পেপটিক আলসার প্রতিরোধ করে। কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে হার্টকে ভালো রাখে তেঁতুল। তেঁতুলে আছে টারটারিক অ্যাসিড, ম্যালিক অ্যাসিড, পটাশিয়াম যা কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা দূর করে। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ তেঁতুল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। অ্যালার্জি, সর্দিকাশির সমস্যা দূর করে। তলপেটের সমস্যা দূর করে তেঁতুল।