ad
ad

Breaking News

Child Obesity

২০৪০ সালের মধ্যে ভারতের ২ কোটি নাবালক স্থুলতার সমস্যায় ভুগবে, চাঞ্চল্যকর তথ্য গবেষণা রিপোর্টে

২০৪০ সালের মধ্যে ভারতের লাখ লাখ নাবালক স্থুলতা জনিত গুরুতর অসুখে ভুগবে

Child Obesity World Obesity Federation Warns

চিত্র- সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: ১৯৭৫ সালে গোটা বিশ্বে স্থুলকায় নাবালকদের সংখ্যা ছিল ৪%। গত কয়েক দশকে সেটা উদ্বেগজনক মাত্রায় বেড়েছে। ২০২২ সালে বিশ্বে স্থুলকায় নাবালকদের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২০%। মানে গত ৫ দশকে ৫ গুণ বেড়েছে। গোটা বিশ্বে স্থুলকায় নাবালকদের নিরিখে ভারতের স্থান শীর্ষে। স্থুলতার সমস্যা ক্রমশ ভারতে গুরুতর স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা ডেকে আনছে। ওয়ার্ল্ড ওবিসিটি ফেডারেশনের সাম্প্রতিক গবেষণা রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ২০৪০ সালের মধ্যে ভারতের লাখ লাখ নাবালক স্থুলতা জনিত গুরুতর অসুখে ভুগবে। ওয়ার্ল্ড ওবিসিটি ফেডারেশনের ওই গবেষণা রিপোর্টে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, কৃত্রিম শর্করা দেওয়া খাবার ও ভাজাভুজি খাবারের ওপর নিয়ন্ত্রণ, বিশেষ করে বিজ্ঞাপন দেওয়া বন্ধ না করলে ভারতের ২ কোটি নাবালক স্থুলতার সমস্যায় ভুগবে। ১২ কোটি স্কুল পড়ুয়া নাবালক আগামী ১৫ বছরের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ ও কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজে আক্রান্ত হবে। ৪ মার্চ ওয়ার্ল্ড ওবিসিটি ফেডারেশনের সাম্প্রতিক গবেষণা রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে।

ওয়ার্ল্ড ওবিসিটি ফেডারেশনের ওই গবেষণা রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ২০২৫ সালে ভারতে ৫-৯ বছর বয়সি ১ কোটি ৯০ লাখ শিশু আর ১০-১৯ বছর বয়সি ২ কোটি ৬৪ লাখ কিশোর-কিশোরী স্থুলকায়। স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে স্থুলকায় হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে হুহু করে। এটা গোটা বিশ্বের উদ্বেগজনক ট্রেন্ড। সম্প্রতি কলকাতার বিভিন্ন স্কুলে পড়ুয়াদের মধ্যে সমীক্ষা চালানো হয়। সেই সমীক্ষায় দেখা গেছে কলকাতার মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত পড়াশোনা করা ১২-১৬ বছর বয়সি সাড়ে ১২% পড়ুয়া স্থুলকায়। অর্থাৎ প্রতি ৮ জনের মধ্যে একজন পড়ুয়া স্থুলকায়। চিন ও আমেরিকায় স্থুলকায় ১ কোটি নাবালক রয়েছে। ভারতে স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে ৪ কোটি ১০ লাখের বডি মাস ইনডেক্স বেশি। ১ কোটি ৪০ লাখ নাবালক স্থুলকায়। ২০৪০ সালের মধ্যে সংখ্যাটা বাড়তে চলেছে।

কমবয়সিদের মধ্যে স্থুলতার কারণে হওয়া উচ্চ রক্তচাপ জনিত রোগীর সংখ্যা ২ কোটি ৯৯ লাখ থেকে বেড়ে হবে ৪ কোটি ২১ লাখ। হাইপার গ্লাইসেমিয়ায় আক্রান্তর সংখ্যা ১ কোটি ৩৯ লাখ থেকে বেড়ে হবে ১ কোটি ৯১ লাখ। রক্তে বেশি পরিমাণে ট্রাইগ্লিসারাইড থাকা রোগীর সংখ্যা ৪ কোটি ৩৯ লাখের থেকে বেড়ে হবে ৬ কোটি ৭ লাখ। শিশুদের মধ্যে নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার অসুখে আক্রান্তর সংখ্যা ৮ কোটি ৩৯ লাখ থেকে বেড়ে হবে ১১ কোটি ৮৮ লাখ।