চিত্র- সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: পরিবেশ সচেতনতার ঢেউ এখন জীবনের প্রায় সব ক্ষেত্রেই। প্লাস্টিক বর্জন, রিসাইক্লিং, পুনর্ব্যবহারযোগ্য পণ্য, সবই এখন দৈনন্দিন জীবনের অংশ। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক অনেকেই এড়িয়ে যাচ্ছেন- ব্যক্তিগত অন্তরঙ্গ জীবন।
২০২৬ সালের নতুন ট্রেন্ড হিসেবে উঠে আসছে ‘গ্রিন সেক্স’ বা পরিবেশবান্ধব যৌনজীবন। গবেষণা বলছে, অন্তরঙ্গ মুহূর্তে ব্যবহৃত নানা পণ্য, যেমন কন্ডোম, লুব্রিকেন্ট, সেক্স টয়, এসবের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক ও প্যাকেজিং বর্জ্য তৈরি হয়। তাই এই ক্ষেত্রেও পরিবেশবান্ধব বিকল্পের দিকে ঝুঁকছেন অনেকেই।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবেশবান্ধব পণ্য বলতে এমন জিনিস বোঝায় যা শরীরের জন্য কম ক্ষতিকর এবং পরিবেশে সহজে মিশে যেতে পারে। উদাহরণ হিসেবে, রাসায়নিকমুক্ত বা ভেগান কন্ডোম, প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি লুব্রিকেন্ট ইত্যাদি এখন জনপ্রিয় হচ্ছে। জলভিত্তিক লুব্রিকেন্টকে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব বলে মনে করা হচ্ছে।
এছাড়াও, অনেক পণ্যে কম প্লাস্টিক ব্যবহার করা হচ্ছে বা বায়োডিগ্রেডেবল উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে, যা পরিবেশ দূষণ কমাতে সাহায্য করে।
শুধু পরিবেশ নয়, শরীরের দিক থেকেও এই পরিবর্তনের সুফল থাকতে পারে। রাসায়নিকমুক্ত পণ্য ব্যবহারে ত্বকের জ্বালা, অ্যালার্জি, শুষ্কতা বা সংক্রমণের ঝুঁকি কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে এটি আরও উপকারী হতে পারে।
ডেটিং দুনিয়াতেও এর প্রভাব পড়ছে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রায় ৩৯ শতাংশ অবিবাহিত ব্যক্তি এমন সঙ্গী খুঁজছেন, যিনি পরিবেশ নিয়ে সচেতন। ফলে ‘গ্রিন সেক্স’ শুধু স্বাস্থ্য বা পরিবেশ নয়, সম্পর্কের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
সব মিলিয়ে, ব্যক্তিগত জীবনেও পরিবেশ সচেতনতার ছাপ ফেলতে চাইলে ছোট ছোট পরিবর্তনই বড় ভূমিকা নিতে পারে- এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের।