চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: মৌ বসু: সেরাম এখন লেটেস্ট বিউটি ট্রেন্ড। উজ্জ্বল, ঝকঝকে ত্বকের জন্য অনেকেই মুখে সেরাম লাগান। কিন্তু উল্টো পাল্টা সেরাম লাগালে হিতে বিপরীত হতে পারে। আসুন দেখে নিই ত্বকের কোন রকমের সমস্যায় কী রকম সেরাম লাগাবেন-
১) ত্বকে ডার্ক স্পট থাকলে লাগান গোল্ডেন সেরাম কম্বিনেশন-ভিটামিন সি + ফেরুলিক অ্যাসিড। ভিটামিন সি ত্বককে ভেতর থেকে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। ত্বকের কালো দাগছোপ দূর করে জেল্লাদার ত্বক মিলবে। ভিটামিন সি সেরাম কোলাজেন প্রোটিনের নিঃসরণ বাড়ায়। ফেরুলিক অ্যাসিড ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সেরাম লাগালে নো মেকআপ লুকের উজ্জ্বল ত্বক মেলে।
২) ব্রণ প্রবণ ত্বকে স্যালিসাইলিক অ্যাসিড ও নায়াসিনামাইড সমৃদ্ধ সেরাম ত্বকে লাগান। ত্বকের মরা কোষ দূর হয়। ত্বকের লালচে ভাব ও চুলকানি দূর হয়। স্যালিসাইলিক অ্যাসিড ব্রণ, ডার্ক স্পট, কালো দাগছোপ, ব্ল্যাকহেডসের মতো সমস্যা দূর করে। স্যালিসাইলিক অ্যাসিড ও নায়াসিনামাইড সমৃদ্ধ সেরাম লাগালে ত্বকের রুক্ষ ও শুষ্ক ভাব কমে গিয়ে নরম, মসৃণ ত্বক মেলে।
৩) রুক্ষ ও শুষ্ক ত্বকের হাইপার পিগমেন্টেশনের সমস্যা দূর হয় হায়লুরোনিক অ্যাসিড ও কোজিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ সেরাম লাগালে। ফাইন লাইনস ও অকালে বুড়িয়ে যাওয়া আটকায়।
৪) তৈলাক্ত ত্বকে সেবাম বেরোয় বেশি পরিমাণে ত্বকের সেবাশিয়াস গ্ল্যান্ড থেকে। ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়। ব্রণর সমস্যা দেখা যায়। নায়াসিনামাইড ও লিকোরিস রুট সমৃদ্ধ সেরাম তৈলাক্ত ত্বকে লাগালে সেবাম নিঃসরণ নিয়ন্ত্রিত হয়। ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় থাকে। স্বাভাবিক, ম্যাট গ্লো মেলে। নায়াসিনামাইড ও লিকোরিস রুট সমৃদ্ধ সেরাম ত্বকের মরা কোষ এবং ময়লা পরিষ্কার হয়।
৫) সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের ক্ষতি হয়। রোদে পুড়ে যাওয়া ত্বকে কালো, লালচে ভাব দেখা যায়। হাইপার পিগমেন্টেশনের সমস্যা হয়। আলফা আরবুটিন ও নায়াসিনামাইড সমৃদ্ধ সেরাম লাগালে ত্বকের স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য বজায় থাকে।