ad
ad

Breaking News

Teacher Recruitment

আজ শুরু শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা, পরীক্ষার্থীদের জন্য কঠোর বিধিনিষেধ

নবম-দশমের জন্য পরীক্ষায় বসছেন ৩ লক্ষ ১৯ হাজার এবং একাদশ-দ্বাদশের জন্য পরীক্ষা দেবেন ২ লক্ষ ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থী। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।

Teacher Recruitment Exam Begins in West Bengal

চিত্র: প্রতীকী

Bangla Jago Desk: আজ রবিবার রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগে পরীক্ষা (Teacher Recruitment)। ৩৫ হাজার ৭২৬ টি পদে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা হবে দুটি ধাপে। দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা হবে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর। এই দুটি ধাপে মোট স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় বসেছেন ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে নবম-দশমের জন্য পরীক্ষায় বসছেন ৩ লক্ষ ১৯ হাজার এবং একাদশ-দ্বাদশের জন্য পরীক্ষা দেবেন ২ লক্ষ ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থী। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।

একাধিক বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে। সেই নিয়ম না মানলে বাতিল হবে পরীক্ষা। শনিবার নবান্নে এই নিয়ে জরুরি বৈঠক হয়। নবান্ন সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্যের মুখ্যসচিব জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক করেন। রবিবার স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষাকে সামনে রেখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ সমস্ত জেলার জেলা শাসকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। শিক্ষা দফতরের বিভিন্ন আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে। এই বৈঠক থেকে মুখ্য সচিবের নির্দেশ:

* নির্বিঘ্নে পরীক্ষা করানোর দায়িত্ব জেলাশাসকের।
* প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
* অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে নজর রাখতে হবে।
* কমিশনের গাইডলাইন মেনেই পরীক্ষা গ্রহন করা হবে।
* শিক্ষা দফতরের নির্দিষ্ট আধিকারিকরা যোগাযোগ রাখবেন জেলা প্রশাসনের সঙ্গে।

প্রায় ৮বছর পর রবিবার শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। আঁটোসাঁটো নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে পরীক্ষাকেন্দ্র। সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করার জন্য সমস্তরকম ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন এসএসসির চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদারও।

শিক্ষক নিয়োগে রাজ্য সরকার বরাবরই তৎপর।পড়ুয়ার অনুপাতে শিক্ষক সংখ্যা বাড়ানোর জন্য বাংলার সরকার উদ্যোগী হয়েছে। প্রাথমিকের মতোই মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে শিক্ষক নিয়োগে জোর দেওয়া হয়েছে (Teacher Recruitment)। এর মাঝে সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়ে যাওয়ায় শিক্ষাক্ষেত্রে অব্যবস্থা তৈরি হয়। এরপর সুপ্রিমকোর্টের গাইডলাইন মেনে শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেইমতো যুদ্ধকালীন তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে এসএসসির তরফে।

প্রশাসনও পরীক্ষা কেন্দ্রের সুরক্ষার দিকে বাড়তি নজর দিচ্ছে। রবিবার নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা। প্রথম থেকেই আঁটঘাট বেঁধে ময়দানে নেমেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। শনিবার পরীক্ষার আগের দিন নিরাপত্তা ব্যবস্থা থেকে শুরু করে জরুরি বিষয়গুলি নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন এসএসসি-র চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। তিনি জানান নজরদারিতে থাকছে বিশেষ ব্যবস্থা। দুপুর ১২টায় পরীক্ষা শুরু হবে, পরীক্ষা চলবে দেড় ঘণ্টা ধরে। বিশেষ ভাবে সক্ষমদের অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময়ও দেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষা কেন্দ্রে বহুস্তরীয় নজরদারি রাখা হবে। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা রয়েছে। পরীক্ষায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে একাধিক নিয়ম-কানুন আরোপ করা হয়েছে। ঘড়ি, ক্যালকুলেটর, লগ টেবিল, মোবাইল ফোন বা কোনরকম ইলেকট্রনিক গ্যাজেট নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়া যাবে না (Teacher Recruitment)। স্বচ্ছ বোতলে পানীয় জল, নীল বা কালো কালির কলম, কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা প্রভিশনাল অ্যাডমিট কার্ড সঙ্গে রাখতে হবে। পরীক্ষার্থীর পরিচয় পত্র যেমন আধার কার্ড, ভোটার কার্ড সঙ্গে আনতে হবে। সব ধরনের সমস্যা এড়াতে সকাল দশটার মধ্যে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এসএসসি পক্ষ থেকে।