ad
ad

Breaking News

Budget

বাংলার বাজেট নিয়ে বিজেপির আক্রমণের জবাব দিল তৃণমূল

কেন্দ্রীয় বঞ্চনার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, ‘পথশ্রী–রাস্তাশ্রী’ প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যে ২ লক্ষ ২০ হাজার কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হয়েছে।

tmc-slams-bjp-over-west-bengal-budget

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: রাজ্য বাজেট পেশের পরদিনই তৃণমূল ভবন থেকে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করল তৃণমূল কংগ্রেস। শুক্রবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও পার্থ ভৌমিক বিজেপির ‘কথা দিয়ে কথা না রাখার’ অভিযোগ তুলে ধরেন। তাঁরা তাঁদের বক্তব্যের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের জনমুখী প্রকল্পগুলির সাফল্য তুলে ধরেন এবং একই সঙ্গে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির প্রকল্পের ব্যর্থতার উদাহরণ তুলে ধরেন।   

সাংবাদিক সম্মেলনে পার্থ ভৌমিক স্পষ্ট করে বলেন, “মমতা ব্যানার্জি নির্বাচন দেখে কোন সামাজিক পরিকল্পনা করেন না, মমতা ব্যানার্জি মানুষের কথা ভেবে সামাজিক পরিকল্পনা করেন। এটা হচ্ছে বিজেপির সাথে আমাদের মমতা ব্যানার্জির পার্থক্য।”

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি সাধারণ মানুষের হাতে অর্থ পৌঁছে দিচ্ছেন। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, ‘পথশ্রী–রাস্তাশ্রী’ প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যে ২ লক্ষ ২০ হাজার কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য সরকারের বিশেষ উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের কথায়, ১ কোটি ১০ লক্ষ কৃষক এখন ‘কৃষক বন্ধু’ প্রকল্পের সুবিধা পান। ভাগচাষী ও প্রান্তিক চাষীদের জন্য বছরে রবি ও খরিফ মরসুমে মোট ৪ হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। কৃষিকাজে সেচের জলের টাকা পুরোপুরি মুকুব করে দেওয়া হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, ICDS কর্মীদের ভাতা ১,০০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ১০০০ টাকা বেড়েছে। আশা কর্মীদের ক্ষেত্রে কেন্দ্রের দেওয়া সামান্য ইনসেনটিভের ৪০ শতাংশ রাজ্য দেয়। এছাড়া আমরা যে ৫,২৫০ টাকা দিতাম, তা বাড়িয়ে ৬,২৫০ টাকা করা হয়েছে। গিগ কর্মীদের সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনার সিদ্ধান্তকে তিনি ‘অভূতপূর্ব’ পদক্ষেপ বলেও উল্লেখ করেন।

যুবশ্রী ও যুবসাথী প্রকল্প নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করে চন্দ্রিমা জানান, ২০১৩ সাল থেকে যুবশ্রী প্রকল্পে মোট ১৮০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। যুবসাথী প্রকল্পে পাঁচ বছরের সময়সীমা থাকলেও, স্কলারশিপপ্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রে ভাতা পাওয়ার কোনও বাধা নেই। তবে অন্য কোনও সামাজিক ভাতা পেলে এই সুবিধা প্রযোজ্য হবে না।

পার্থ ভৌমিক এদিন পুনরায় কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে সরব হন। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির প্রকল্প নিয়ে কটাক্ষ করে পার্থ ভৌমিক বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমাজের স্তরে কোনও বৈষম্য রাখেননি। স্বাস্থ্যসাথী ২ কোটি ৫২ লক্ষ পরিবার পায়, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারেও কোনও জাতিগত বা আর্থিক বিভেদ নেই।” তিনি আরও যোগ করেন, “যারা ৩০০০ টাকা দেওয়ার কথা বলছেন, তাঁরা আগে বিহারের দিকে তাকান। ১০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলে জেতার পর পোর্টাল বন্ধ কেন?”