ad
ad

Breaking News

Azizul Islam

Azizul Islam: “আবারও গুলি খেতে প্রস্তুত”, বললেন রক্তাক্ত ২১-এ বেঁচে ফেরা রাজারহাটের আজিজুল

এক কথায় বলতে গেলে, এই সভার শুধু তৃণমূলের একটি কর্মসূচি নয়, আজিজুলের কাছে আবেগও।

TMC’s Martyrs Day: Azizul Islam’s Battle Against CPM and BJP

চিত্র: সংগৃহীত

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: “আগে লড়াই ছিল সিপিএমের বিরুদ্ধে, এবার লড়াই বিজেপির বিরুদ্ধে” ২১শে জুলাই শহীদ দিবস সভার আগে এমনটাই জানালেন ৩২ বছর আগে সিপিএম নিয়ন্ত্রিত পুলিশের গুলিতে বেঁচে ফেরা আজিজুল ইসলাম মোল্লা (Azizul Islam)। এখানেই শেষ নয়, তিনি এটাও স্পষ্ট জানান যে দরকার হলে তিনি ফের গুলি খেতে রাজি। এক কথায় বলতে গেলে, এই সভার শুধু তৃণমূলের একটি কর্মসূচি নয়, আজিজুলের কাছে আবেগও।

[আরও পড়ুন: Earthquake: রাশিয়ায় পরপর দু’টি শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা হাওয়াইতেও]

ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রতিবছরই ২১ জুলাই বড় করে শহীদ দিবস সভা করে তৃণমূল কংগ্রেস। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। একদিকে যেমন দলীয় কর্মী ও সমর্থকরা অপেক্ষা করছেন সোমবারের জন্য, তখন অন্যদিকে পুলিশের তরফ থেকে গোটা শহরে নজরদারি চালানো হচ্ছে। কোথাও কোন ত্রুটি রয়েছে কিনা নিরাপত্তা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে, সেদিক খতিয়ে দেখে চলেছে তারা। গোটা বাংলার পরিবেশই পাল্টে গেছে সোমবারের সভাকে ঘিরে।

প্রত্যেক বছরের মতো এবারও সভায় উপস্থিত থাকবেন ১৯৯৩ সালে সিপিএম নিয়ন্ত্রিত পুলিশের গুলি থেকে বেঁচে ফেরা আজিজুল (Azizul Islam)। তিনি রাজারহাট ব্লকের পাথরঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের ছাপনা গ্রামের বাসিন্দা এবং বর্তমানে তাঁর বয়স ৫৫। ঘাসফুল শিবিরের অন্যান্য সমর্থকদের মতো তাঁরও এই সভার প্রতি রয়েছে এক আলাদা টান। এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই ব্যাপারে নিজের বক্তব্য জানান। আজিজুল বলেন, “আগে লড়াইটা ছিল অত্যাচারী সিপিএমের বিরুদ্ধে আর এখন লড়াইটা বিভেদকামী বিজেপির বিরুদ্ধে। বিজেপিকে রুখতে দিদির ডাকে শহীদ হতেও রাজি।”

[আরও পড়ুন: Risabh Panth: চতুর্থ টেস্টের আগে বড় স্বস্তি, সম্পূর্ণ ফিট হয়ে ফিরছেন ঋষভ পন্থ]

এরপর ১৯৯৩ সালের সেই স্মৃতির কথা তুলে ধরেন আজিজুল। তিনি (Azizul Islam) বলেন, “দিদির ডাকে যখন ধর্মতলায় মেট্রো সিনেমার কাছে পৌঁছাই, তখন পুলিশ লাঠিচার্জ করা শুরু করে। কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে ও গুলি চালাতে শুরু করে। চোখের সামনে অনেককে লুটিয়ে পড়তে দেখেছি। আমার ডান পায়ের উরুতে গুলি লাগায় আমিও জ্ঞান হারাই। টানা ১৬ দিন ধরে এসএসকেএমে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ফিরে এসেছিলাম।” আজিজুলের কথায় স্পষ্ট যে সেই দিনটি কতটা ভয়ংকর ছিল। শুধু তাই নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তখন কতটা ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল, তাও জলের মতো পরিষ্কার।