চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: কলকাতা ল কলেজ গণধর্ষণ কাণ্ড ঘিরে এবার প্রকাশ্যে দ্বন্দ্বে জড়ালেন তৃণমূল কংগ্রেসের দুই হেভিওয়েট সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও মহুয়া মৈত্র (TMC Feud)। একদিকে মহিলা বিরোধী মন্তব্য, অন্যদিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ—দুই সাংসদের বাকযুদ্ধে রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়েছে দল।
শনিবার মহুয়ার পোস্টের পর রবিবার তীব্র আক্রমণ করেন কল্যাণ। তিনি বলেন, “মহুয়া হানিমুন শেষ করে দেশে ফিরে এসে আমার সঙ্গে লড়াই করছে! সে আমাকে নারী বিরোধী বলে? ও কী করেছে? ৪০ বছরের এক পরিবার ভেঙে ৬৫ বছরের এক পুরুষকে বিয়ে করেছে। এতে কি ওই মহিলার (প্রাক্তন স্ত্রী) মনে আঘাত লাগেনি?”
নারী বিদ্বেষী প্রসঙ্গে মহুয়াকে নিশানা কল্যাণের, তুঙ্গে রাজনীতি pic.twitter.com/NHVwDsuBKD
— Bangla Jago Tv (@BanglaJagotv) June 29, 2025
এতেই থেমে থাকেননি কল্যাণ। তিনি আরও বলেন, “সংসদ থেকে যাকে অনৈতিক আচরণের কারণে বহিষ্কার করা হয়েছে, সেই মানুষ এখন আমায় নীতির পাঠ পড়াচ্ছে! মহুয়া হল সবচেয়ে বড় নারী বিরোধী। ওর একটাই লক্ষ্য—নিজের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা আর টাকা রোজগার(TMC Feud)।”
উল্লেখ্য, তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে এই ঘটনার শুরু হয়। দক্ষিণ কলকাতার ল কলেজে ছাত্রীর উপর সংঘটিত গণধর্ষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, “বন্ধু যদি বন্ধুকে ধর্ষণ করে, তবে কে দায় নেবে? প্রতিটি স্কুলে কি পুলিশ বসানো সম্ভব?” এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন দলীয় সাংসদ মহুয়া মৈত্র।
শনিবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে মহুয়া লেখেন, “ভারতে নারী বিদ্বেষ সব রাজনৈতিক দলেই আছে। কিন্তু @AITCofficial-এর যা আলাদা করে, তা হল—আমরা যেই হই না কেন, এমন জঘন্য মন্তব্যের বিরুদ্ধে মুখ খুলি।” তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সেই বিবৃতিও উদ্ধৃত করেন, কল্যাণ ও মদন মিত্রর মন্তব্যকে দল সমর্থন করেন না(TMC Feud)।