চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: রাত পোহালেই আরজি কর হত্যাকাণ্ডের এক বছর। বিরোধী দলগুলির পাশাপাশি নবান্ন অভিযানের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বহু সাধারণ মানুষও। তার আগে অভয়ার মা-বাবা (Tilottama’s parents) রাজধানী দিল্লিতে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করতে। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁরা কলকাতা ফেরেন এবং জানান যে শাহের সঙ্গে দেখা হয়নি তাঁদের। তবে এর সঙ্গে উগরে দেন সিবিআইয়ের তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ।
অভয়ার বাবা (Tilottama’s parents) বলেন, “সিবিআই ডিরেক্টরের সঙ্গে দেখা করেছি। কিন্তু তারা যে এত বোগাস, সেটা ভালো করে বুঝতে পারলাম। উনি নিজে বলছেন যে ওনারা এই মামলা ছেড়ে দেবেন। তখন আমি ওনাকে বলি কোর্টে গিয়ে এই কথাটি বলতে। সিবিআই তো আদালত দিয়েছে। এবার দেখা যাক আদালত ওদের মামলা থেকে সরিয়ে দেয় নাকি ওরা নিজে থেকেই সরে দাঁড়ায়।”
তিলোত্তমার বাবা (Tilottama’s parents) আরও বলেন, “সিবিআইয়ের কাছে আমাদের প্রশ্নের কোন জবাব নেই।” তাঁদের তরফ থেকে ডিরেক্টরকে একটি প্ল্যাকার্ড দেওয়া হয়েছিল, যার একপাশে ছিল একাধিক প্রশ্ন এবং অন্যপাশে লেখা ছিল ‘বাড়ান মেরুদন্ড নয় করুন পদত্যাগ’। এই বিষয়ে অভয়ার মা বলেন, “উনি প্ল্যাকার্ড নিয়েছিলেন। তারপর ফিরিয়ে দেন। ওনার বক্তব্য ওনাদের মেরুদন্ড রয়েছে। আমরা বলি ওনাদের মেরুদন্ড নেই।”
উল্লেখ্য, গতবছর ৯ই অগাস্ট এই ঘটনার সূত্রপাত। আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা সামনে আসতেই প্রতিবাদের বন্যা বয়ে গোটা রাজ্যে। রাজ্য সরকারকে লাগাতার বিরোধীদের কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছিল। তবে শাসকদলও পাল্টা দেওয়া থেকে পিছু হাঁটেনি। রাত দখল থেকে শুরু করে দ্রোহের কার্নিভাল, নবান্ন অভিযান সবকিছু করা হয়। শেষ পর্যন্ত প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মন্ডল জামিন পান। যাবজ্জীবন কারাদন্ডের সাজা দেওয়া হয় সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে।